২০১৯ এর সব ফাইল ক্লিয়ার করে নতুন বছর শুরু প্রধানমন্ত্রীর

0

সময় এখন ডেস্ক:

বিদায়ী বছরের সব ফাইল নি’ষ্পত্তি করে নতুন বছর শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৯ সালের যেসব ফাইলের ছাড় বা মতামত দেয়া বাকি ছিল, বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ব্যস্ততার মাঝেও অতিরিক্ত সময় দিয়ে সেসব ফাইল নি’ষ্পত্তি করে দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (১ জানুয়ারি) নতুন বছরে নবোদ্যমে কাজ শুরু করেছেন টানা ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বলেন, ২০১৯ সালের সব কাজ বিদায়ী বছরেই শেষ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কোনো ফাইল ২০২০ পর্যন্ত টেনে আনেননি তিনি। তার সব ফাইল তিনি ক্লিয়ার করেছেন।

খোকন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রচুর ফাইল থাকে। গতকাল বছরের শেষ দিনে ৮ বক্স ফাইল ছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তিনি গতকালই বাকি থাকা সব ফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। পুরোনো বছরের সব কাজ নতুন বছর শুরুর আগেই শেষ করেছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা।

পুঁজিবাজার নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, পুঁজিবাজারের মূল ভিত্তি হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি। দেশের অর্থনীতি যত শক্তিশালী হবে পুঁজিবাজার তত শক্তিশালী হতে বাধ্য। কিন্তু আমাদের এখানে সেটা ঘটে না। আমি জানি না কেন? সব দিকেই ভালো, শুধু এক জায়গায় বহির্বিশ্বের সঙ্গে মিল নেই।

বুধবার (১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ার বাজারে প্রথম ঘণ্টায় দাম বাড়ে, তখন যারা ইনভেস্ট করে তারা পায়। ২য় ঘণ্টায় আবার দাম কমে যায়। ২য় ঘণ্টায় দাম কমার পর এটাকে বলা হয় সেই দিনের স্থিতি। কে জিতলো আর কে হারলো নিজের মনকে প্রশ্ন কর।

টানা সূচক পড়তে থাকলে সমস্যা বাড়বে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেই। কেউ আয় করবে কেউ লস করবে, দুইটা এক সঙ্গে হয়তো হবে না। সরকারের যে দায়িত্ব সেখানে গুড গভর্নেন্স থাকতে হবে। যারা অপরাধ করবে শা’স্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এজন্য রেগুলেটর আছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদেশে ১ হাজার ইনডেস্ক থেকে শূন্যতে আসলে এসইসি চেয়ারম্যানকে গালিও দেবে না মারতেও যাবে না রাস্তায় গাড়িও ভাঙবে না। আমি জানি না কেন সবদিকেই ভাল শুধু এক জায়গায় বহির্বিশ্বের সঙ্গে মিল নাই।

মুস্তফা কামাল বলেন, আমাকে দেখতে হবে, ব্যাংকগুলো ম্যানিপুলেট করে কিনা। যে শেয়ারগুলো বাজারে আসে সেগুলো ম্যানিপুলেট করে কি না। প্রফিট হওয়ার পরও প্রফিট ঘোষণা না দিয়ে ডেভিডেন্ট পকেটে নেয় কি না। আমাদের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে এর প্রতিফলন পুঁজিবাজারে আসতে বাধ্য। আজ না হলে আগামীকাল আসতে হবেই।

তিনি বলেন, আগে যেভাবে শেয়ারকে প্রাইসিং করা হত, সেভাবে এখন হয় না। এখন রেগুলেটর ও অপারেটররা সব সময় আলাপ-আলোচনা করে। যেখানে নীতি নির্দেশনার অভাব থাকে বা নির্দেশনা আরও শক্তিশালী করা দরকার। টেক কেয়ার থাকলে মনে হয় ভাল থাকবে।

শেয়ার করুন !
  • 1.6K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply