বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক:
গত ২৬ ডিসেম্বর ১৭২ বছরের মধ্যে সেরা সূর্য্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করেছিল বাংলাদেশের মানুষসহ সারা বিশ্ববাসী। রিং অব ফায়ারের সেই রেশ কাটতে না কাটতেই হাজির আরেকটি মহাজাগতিক মুহূর্ত। এবার বাংলাদেশের মানুষ দেখবে বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণটি।
চাঁদের উপচ্ছায়া বা চন্দ্রগ্রহণ হবে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি)। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৭ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে শুরু হবে এই গ্রহণ। শেষ হবে ১১ জানুয়ারি ভোররাত ৩টা ১২ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর বলছে, চন্দ্রগ্রহণের কেন্দ্রীয় গতিপথ চীনের ইউনানের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে। সবোর্চ্চ গ্রহণ হবে ভারতের দাহোর ও উত্তরপশ্চিম দিকে। চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে সৌদি আরবের আলহাফিয়ার উত্তর-পূর্ব দিকে।
আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশে গ্রহণটি দেখা যাবে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর।
নতুন পৃথিবীর খোঁজ পেল নাসা!
পৃথিবীর মতো আরেকটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাসার ‘ট্রানসিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট’ বা টেস’র লেন্সে ধরা দেয়া গ্রহটি পৃথিবীর মতোই দেখতে। পৃথিবীর এ যমজ গ্রহের নাম দেয়া হয়েছে ‘টিওআই ৭০০ ডি’।
নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিক্স ডিভিশনের ডিরেক্টর পল হার্ত্জ বলেছেন, পৃথিবীর মতো দেখতে এই গ্রহ রয়েছে ‘হ্যাবিটেবল জোন’য়ে। পাক খাচ্ছে আমাদের সূর্যেরই মতো একটি নক্ষত্রকে ঘিরে। টেসের পরে স্পিত্জার স্পেস টেলিস্কোপেও ধরা পড়ে পৃথিবীর মতো দেখতে এই গ্রহ।
নাসা বলছে, নতুন সন্ধান পাওয়া গ্রহটির আকার পৃথিবীর থেকে বেশি হলেও হতে পারে। এটি বসবাসের উপযোগী বলেও নাসার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। কারণ, গ্রহটিতে রয়েছে জলের অস্তিত্ব। পৃথিবী থেকে ১শ আলোক বর্ষ দূরে গ্রহটির অবস্থান।
গত কয়েক দশক ধরে পৃথিবীর মতো গ্রহের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে নাসা। এখন পর্যন্ত ৫শ’রও বেশি গ্রহ, বামন গ্রহ ও উপগ্রহের সন্ধান মিলেছে, যাদের সঙ্গে পৃথিবীর নানা মিল পাওয়া যায়। এমব গ্রহের মধ্যে কেপলার-৪৫২বি গ্রহের খোঁজ মিলেছিল যার সঙ্গেও পৃথিবীর হুবহু মিল রয়েছে। এ গ্রহের পৃষ্ঠে পানি থাকারও প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।
238