এবার দুর্ঘটনা এড়াতে সব ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা

0

সময় এখন ডেস্ক:

দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

রোলিং স্টক অপারেশন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৪০টি ব্রডগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) ক্যাবে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, মো. শফিকুল আজম খাঁন, মো. সাইফুজ্জামান, গাজী মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ ও নাদিরা ইয়াসমিন জলি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বিগত ৬ মাসে ১৭৫.২০ একর রেলভূমি জবরদখ’লমুক্ত করে রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে অ’বৈধভাবে রেলওয়ের জায়গায় বাসস্থান ও অন্যান্য স্থাপনা তৈরি করে যারা রেলওয়েকে আর্থিকভাবে ক্ষ’তিগ্রস্ত করছে, তাদের বিরু’দ্ধে উ’চ্ছেদ কার্যক্রম জোরদার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে জমি উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রাখতে বলা হয়েছে।

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের ৬টি ও পূর্বাঞ্চলের ৪টি জরাজীর্ণ হাসপাতালের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে। এর আগে বৈঠকে রেলওয়ে হাসপাতালের জী’র্ণ দশা নিয়ে ক্ষো’ভ প্রকাশ করা হয়। কোনো কোনো হাসপাতালে ও’ষুধ আছে তো ডাক্তার নেই, আবার ডাক্তার আছে তো ও’ষুধ নেই অবস্থা বলে উলে­খ করা হয়। রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই সেখানকার সেবা ব’ঞ্চিত দাবি করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ট্রেনকে ১৫০ কি.মি. গতিতে চলার উপযোগী করা হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

ট্রেনকে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে চলার উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। ভারতে ঘণ্টায় ১৬৭ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো হয়। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশেও করা হবে। তখন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যেতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা।

গতকাল শনিবার দুপুরে রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাবে রেল পরিবারের এক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন এসব কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের আলাদা পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী আছে। আছে রেলওয়ে হাসপাতাল ও রেল কর্মকর্তাদের জন্য বাসাবাড়ি। আলাদা যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবহন ব্যবস্থাও আছে। সে হিসেবে রেল মন্ত্রণালয় হল অনেকটা সরকারের ভেতর আরেকটা সরকার।

এক সময় দেশের প্রধান পরিবহন ব্যবস্থা ছিল রেল ও নৌপথ। কিন্তু মুক্তিযু’দ্ধের সময় হা’নাদার বাহিনী এসব যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বং’স করে দিয়েছে। মহান মুক্তিযু’দ্ধে অনেক রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শহীদ হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করার পর আবারও রেলব্যবস্থা আগের মতো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন।

তিনি বলেন, ১৭ কোটি মানুষের দেশে রেলওয়েতে লোকবল আছে মাত্র ২৭ হাজার। অথচ কম হলেও এই সংখ্যক লোকের জন্য দেড় লাখ লোকবল প্রয়োজন। আমরা ধীরে ধীরে এ সং’কট দূর করবো।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!