গোবর নিয়ে বিজ্ঞানীদের উচ্চতর গবেষণা চান ভারতীয় মন্ত্রী

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গোবর নিয়ে বিজ্ঞানীদের আরও উচ্চতর গবেষণার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় পশুপালন, ডেইরি ও মৎস্যচাষ মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহ। ১২টি রাজ্যের ভেটেরিনারি অফিসার ও পশুপালন সংক্রান্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলির উপাধ্যক্ষদের নিয়ে একটি কর্মশালায় গিরিরাজ বিজ্ঞানীদের এ দিকে নজর দেওয়ার কথা বলেন।

শুধুই গো-ভক্তি থেকে নয়, বাস্তব সমস্যা মোকাবেলার উপায় হিসেবেই গোবর গবেষণার কথা বলেন তিনি। গো-হ’ত্যা নি’ষিদ্ধ। আবার দুধ দেওয়া বন্ধ হওয়ার পরে গরু গোয়ালে রাখলে আর্থিক ক্ষ’তি। তাছাড়া- বিপুল পরিমাণ ছেড়ে দেয়া গরু উত্তর প্রদেশের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানীরা যদি গোবর ও গোমূত্র থেকে অর্থকরী কিছু তৈরির পথ দেখাতে পারেন, তবে এ দু’টির জন্য বুড়ো গরু ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা কমবে বলে মনে করেন গিরিরাজ।

এর আগে গরুর গোবর, গোমূত্রকে বিভিন্ন রোগের ও’ষুধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন বিজেপির এক নেতা। বিভিন্ন সময়ে গরু নিয়ে অ’বাস্তব কথা বলেছেন বিজেপির একাধিক নেতা। এ নিয়ে দেশটিতে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তারা।

ভারতের বিজেপি শাসনাধীন উত্তর প্রদেশে গো-হ’ত্যা নি’ষিদ্ধ। এই কারণে সেখানে দিন দিন মালিকহীন গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গরু দুধ দেয়া বন্ধ করে দিলেই মালিক তার দড়ি খুলে দেন। এসব মালিকহীন গরু রক্ষায় এরই মধ্যে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার।

বিশ্বের সবচেয়ে নিম্নমানের খাবার ভারতের- ওবেসিটি রিভিউর গবেষণা রিপোর্ট

বিশ্বের মধ্যে সব থেকে অ-স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও পানীয় তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ভারতের খাদ্য ও পানীয়। সম্প্রতি ওবেসিটি রিভিউ পত্রিকায় প্রকাশিত গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

১২টি দেশের খাবার নিয়ে এ গবেষণাটি করা হয়। দেশগুলো হলো- অস্ট্রেলিয়া, চিলি, ভারত, কানাডা, চীন, হংকং, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, স্লোভেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

গবেষণায় ৪ লাখেরও বেশি রকমের খাবার নিয়ে পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, ভারতের খাবারে ক্যালরির তুলনায় পুষ্টির পরিমাণ খুবই সামান্য। তবে প্রচুর পরিমাণে শর্করার প্রভাব রয়েছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের ফলে খাবারের মান পরিবর্তন হয়েছে।

বিভিন্ন ধরনের খাবারে পরিবর্তিত ও অ-পরিবর্তিত খাদ্যশস্য থাকলেও তার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও লবণের পরিমাণ থাকে অতিরিক্ত।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, এসব নিম্নমানের খাবারের কারণে প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি স্থুল মানুষ রয়েছে ভারতে। শুধু তাই নয় এই ধরনের নিম্নমানের খাদ্যগ্রহণের ফলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্থুলতার কারণে তৈরি হওয়া হাইপার টেনশন ইত্যাদির সমস্যা বাড়ছে।

শেয়ার করুন !
  • 254
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!