চীন থেকে যারা ফিরতে চান, রেজিষ্ট্রেশন করে নিন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

0

সময় এখন ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের সতর্কতা জারি হওয়ার কারনে চীনে এই মুহূর্তে আটক পড়ে আছেন ৫ শতাধিক বাঙালিসহ বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার নাগরিক। যাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করছে বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। কিন্তু নজরদারিতে থাকার কারনে এখনই সবাইকে ছাড়তে চাইছে না চীন সরকার। কারন এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে দ্রুত।

তবে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর কিছু কিছু দেশের নাগরিক যারা নিজ দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক, তাদেরকে রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে স্ব স্ব দেশের দূতাবাসের হাতে তুলে দেয়া হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ফিরে আসতে ইচ্ছুক বাংলাদেশের নাগরিকদেরকে রেজিষ্ট্রেশনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে তিনি লিখেছেন-

SARS ভাইরাসের ভেকসিন আবিস্কার করতে ‘জিন সিকুয়েন্স’ থেকে মানব দেহে পরিক্ষা করতে সময় লেগেছিলো ২০ মাস।

CORONA ভাইরাসের ‘জিন সিকুয়েন্স’ ইতিমধ্যে করে ফেলেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা (রয়টার্স জানিয়েছে আজকে)। ভেকসিন তৈরী করে তা মানব দেহে পরিক্ষা করতে সর্বোচ্চ সর্বমোট সময় লাগবে ৩ মাস যার মধ্যে ১ মাস প্রায় পার হয়ে গেছে।

SARS এর পরে চীন এই সম্ভাব্য ঝু’কির জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে যার প্রভাব আমরা দেখছি সর্বোচ্চ সতর্কতামুলক ব্যবস্থায়।

এই কথাগুলো তাদের জন্য যারা খুব শং’কার মধ্যে আছেন চীনে। ঘরের মধ্যেই একনাগাড়ে থাকতে বলাটাই একধরনের ‘কোয়ারেন্টাইন’ ব্যবস্থা। ১৪ দিন সর্বোচ্চ, যার মধ্যে কম বেশী ৭ দিন পার হয়ে গেছে।

কি ধরনের বিমান আমরা পাঠাব তা জানতে চেয়েছে চীন। যারা ফিরতে চান তাদের রেজিষ্ট্রেশন শুরু হয়ে গেছে। আমরা দুই এক দিনের মধ্যেই সঠিক ধারণ ক্ষমতার বিমানটি নির্ধারণ করতে পারবো ফিরে আসতে চাওয়া মানুষের সংখ্যার মাধ্যমে।

আমি অনুরোধ করবো যে কয়েকটা দিন ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে সেই সময় পর্যন্ত চীন সরকারের প্রতিটি নির্দেশনা কোন ব্যতিক্রম ছাড়া মেনে চলার জন্য। এতে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্য’হত হচ্ছে ঠিকই কিন্তু নিজের জীবনের স্বার্থে এবং ভাইরাসটি যেন তাদের কারও মাধ্যমে না ছড়ায় তা নিশ্চিত করতে চীনের স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশনাগুলো মেনে চলতেই হবে।

আমি আরও অনুরোধ করবো বাংলাদেশে থাকা তাদের পরিবারের সদস্যদের যেন চীনে থাকা তাদের আত্মীয়দের তারা এই বার্তাটি পৌঁছে দেন এবং তাদের উদ্বুদ্ধ করেন। আমাদের দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা পালাক্রমে ২৪ ঘন্টা তাদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন এবং অতিপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমাধানের চেস্টা করছেন। আমরা ঢাকা থেকে দূতাবাসের কার্যক্রমের সাথে সমন্বয় করছি এবং তদারকি করছি।

সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহতা’আলা সহায় হউন।

শেয়ার করুন !
  • 277
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply