বিমানবাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

0

সময় এখন ডেস্ক:

বিমানবাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংসদ কাজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আজ বৃহস্পতিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান।

সরকারি দলের সদস্য মুহিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিমান বাহিনীকে আরও গতিশীল, যুগোপযোগী ও আধুনিকায়নের লক্ষ্য ১৬টি মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), ৮টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ৩টি ভিভিআইপি হেলিকপ্টার, ২টি এয়ার ডিফেন্স রাডার ইউনিট, ২৪টি প্রাইমারি ট্রেইনার এয়ারক্রাফট, ২টি লাইট এয়ারক্রাফট, ১টি কে-৮ ডাব্লিউ সিম, ৪টি এমআরএপি ভেহিক্যাল, একটি এডব্লিউ-১১৯ সিম, ২টি কাউন্টার ড্রোন সার্ভে রাডার সিস্টেম এবং ১টি মোবাইল এটিসি টাওয়ার ক্রয়ের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

একই প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক জানান, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষা মিশনের আওতায় বি’স্ফোরক হাম’লা থেকে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ১৫টি মাইন রেসিস্ট্যান্ট অ্যাম্বুশ প্রটেক্টেড (এমআরএপি) ইউথ জ্যামার কেনা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫০টি এমআরএপি কেনার চুক্তি করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে আইন মন্ত্রী জানান, বর্তমানে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কর্মরত ৫ জনসহ বিশ্বের ৭টি দেশে ৮টি শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বমোট ৫ হাজার ৭৪ জন শান্তিরক্ষী কর্মরত রয়েছেন। যার মধ্যে ৫১৪ জন কর্মকর্তা।

একই দলের সাংসদ এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক জানান, গত বছরের ৩০ জুন সেনা কল্যাণ সংস্থার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৭৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে লাভ ছিল ১৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ বিশ্বসেরা অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনছে- নিশ্চিত করল বোয়িং কোম্পানি

মার্কিন বিমান এবং অ’স্ত্র নির্মাতা সংস্থা বোয়িং অফিশিয়ালি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট অফ আর্ট এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচি লংবো অ্যাটাক হেলিকপ্টার বিক্রির কথা নিশ্চিত করেছে। প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সামরিক পত্র পত্রিকাতেও।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর বরাত থেকে আরও জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি ২০২০ইং তারিখে বোয়িং এর হেলিকপ্টার বিক্রয় শাখার সিনিয়র ম্যানেজার টেরি জেমিন্সন যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ’স্ত্র সরবরাহ ও বিক্রয় শাখার সাথে যুক্ত রয়েছেন; একইসাথে সারাবিশ্বে বোয়িং এর অ্যাটাক হেলিকপ্টার ও কার্গো হেলিকপ্টার এর মার্কেটিং এবং বিক্রির সাথে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত আছেন- তিনি এক বিবৃতিতে জানান, বোয়িং বাংলাদেশকে এএইচ-৬৪ই অ্যাটাক হেলিকপ্টার বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বোয়িং কোম্পানি ইতিপূর্বে তাদের হেলিকপ্টার কেনার প্রস্তাব দিলে বাংলাদেশ সরকার তা ইতিবাচক ভাবে নেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বলে। টেন্ডারে শর্ত পূরণ ও মূল্যায়ণ সঠিক হলে বাংলাদেশ অ্যাটাক হেলিকপ্টার ক্রয় করতে পারে। সেই অনুসারে বোয়িং এই টেন্ডারে অংশ নেয় এবং অন্যান্য অ্যাটাক হেলিকপ্টার বিক্রেতা সংস্থাগুলোকে পেছনে ফেলে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক মুল্যে এই টেন্ডার জিতে নেয়।

টেরি জেমিন্সন জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন মিলিটারি সেলস চুক্তির অধীনে তারা বাংলাদেশকে এই হেলিকপ্টারগুলো সরবরাহের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সাথে এ ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি সম্পন্ন করেছেন।

তিনি আরও জানান, দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির (বাংলাদেশ) সাথে ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টার সরবরাহের ব্যাপারে বোয়িং আশাবাদী। বিশ্বব্যাপী

প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, ১৫টি দেশের সেনাবাহিনীতে প্রায় ১ হাজার ২০০টি বোয়িং এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচির বিভিন্ন সংস্করণের হেলিকপ্টার বিক্রয় করেছে তারা। ফরেন মিলিটারি সেলস এর অধীনে এটি বাংলাদেশে তাদের অফার করা প্রথম অ’স্ত্র চুক্তি।

বোয়িং আশাবাদী খুব শীগ্রই এ সংক্রান্ত বাকি সকল কাজ সম্পাদন হবে।

বোয়িং এর এই কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, বোয়িং অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলকভাবে এই টেন্ডারটি জিতে নিয়েছে যেখানে মূল আকর্ষণ ছিল বোয়িং এর টেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্টেজ এবং প্রতিযোগিতামূলক মুল্য।

শেয়ার করুন !
  • 393
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!