ভারতে ৮ লাখ মানুষ পরকীয়ায় জড়িত- সমীক্ষার ফলাফল

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

অন্তত ৮ লাখ ভারতীয় পরকীয়ায় জড়িত। দেশটির বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে সম্প্রতি একটি অনলাইন ডেটিং এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সার্ভিস অ্যাপ সমীক্ষা চালিয়েছে। সেখানেই এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ভারতের ৮ লক্ষ মানুষ যে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত তাদের এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু, মুম্বাই এবং কলকাতা।

পরকীয়া নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডেটিং অ্যাপ এর মাধ্যমে পরকীয়ায় শীর্ষে আছেন বেঙ্গালুরুর পুরুষরা। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, পরকীয়ায় মেয়েদের তুলনায় পুরুষদের সংখ্যা বেশি।

বেঙ্গালুরুর পাশাপাশি যথাক্রমে ২য় এবং ৩য় স্থানে রয়েছে মুম্বাই এবং কলকাতার পুরুষেরা, তারপরেই আছে দিল্লী, এরপর হায়দ্রাবাদ।

এছাড়া মেয়েদের দিক দিয়ে তালিকায় এগিয়ে আছে বেঙ্গালুরু, তারপর যথাক্রমে মুম্বাই এবং চেন্নাই। পাশাপাশি তালিকায় কলকাতা শহরও রয়েছে।

দেশটির সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট থেকে পরকীয়া আইনসিদ্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই যেন গ্রিন সিগনাল পেয়েছেন কিছু মানুষ। এরপরই মেতে উঠেছে পরকীয়ার সম্পর্কে।

দেনার দায়ে ডুবছে পাকিস্থান, ১৫ মাসে বেড়েছে ৪০ শতাংশ

পাকিস্থানে গত ১৫ মাসে সরকারি ধার-দেনা বেড়েছে অন্তত ৪০ শতাংশ; যা দেশটির আর্থিক দায়বদ্ধতা ও ঋ’ণ সীমাবদ্ধতা আইনের (এফআরডিএলএ) স্পষ্ট ল’ঙ্ঘন। শুক্রবার পাকিস্থানের পার্লামেন্টে এ তথ্য উপস্থাপন করেছে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়।

দেশটির সংসদে উপস্থাপিত ঋ’ণ বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২০১৮ আর্থিক বছরে পাকিস্থানের ধার-দেনা ছিল ২৯.৮৭৯ ট্রিলিয়ন রুপি; যা ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরেই বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৪১.৪৮৯ ট্রিলিয়ন রুপিতে। এ সময়ে দেশটির দেনা বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ বা ১১.৬ ট্রিলিয়ন রুপি। আর ২০১৯ আর্থিক বছর শেষে ধার-দেনার পরিমাণ বেড়েছে অন্তত ৩৫ শতাংশ।

পাকিস্থানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, দেশটির ঋ’ণ সীমাবদ্ধতা আইনে বলা হয়েছে, ফেডারেল সরকার কেন্দ্রীয় আর্থিক ঘা’টতি কমাতে পদক্ষেপ নেবে এবং মোট দেনা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখবে। সেই মতে, অনুদান বাদে কেন্দ্রীয় আর্থিক ঘা’টতি ৩ বছরের মোট দেশীয় উৎপাদনের (জিডিপি) ৪ শতাংশ এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জিডিপির সাড়ে ৩ শতাংশের মধ্যে রাখার কথা।

কিন্তু, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অনুদান বাদে কেন্দ্রীয় আর্থিক ঘা’টতি রেকর্ড করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৩৫ বিলিয়ন রুপি; যা জিডিপির ৯.৪ শতাংশের সমান।

এমন পরিস্থিতির জন্য পাকিস্থানের আর্থিক নীতিমালাকে অ’স্থিরতার কারণ বলে দায়ী করেছে দেশটির অর্থমন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের দাবি, বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো ২০১৯-২০ অর্থবছরে ঘটবে বলে আশা করা হয়নি, সেগুলো কেন্দ্রীয় আর্থিক ঘা’টতিতে জিডিপির প্রায় ২.২৫ শতাংশ অবদান রেখেছে।

শেয়ার করুন !
  • 61
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!