কুষ্টিয়ায় কাঠের গুঁড়া-কেমিক্যাল-তুষে তৈরি হচ্ছে গুঁড়া মশলা!

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কাঠের গুঁড়া, ধানের তুষ আর কেমিক্যালের মিশ্রণে তৈরি করা হচ্ছে গুড়া মশলা। কুষ্টিয়া শহরের বড় বাজার ঘোড়ার ঘাট সড়কে শাহাজালাল মশলা মিলসে এসব মশলা তৈরি করা হচ্ছে।

প্রশাসনের অভিযানের পরে অপরাধ স্বীকার করেছেন মিল মালিক। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে এবং ১ জনকে ১ বছরের কারাদ’ণ্ড দিয়েছেন।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঘোড়ার ঘাট সড়কে শাহাজালাল মশলা মিলসে অভিযান চালিয়ে এ জেল জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী। এ সময় অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী জানান, শহরের বড় বাজার শাহজালাল মশলা মিলসে কাঠের গুঁড়া, ধানের তুষ ও কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল গুঁড়া মশলা। কারখানা মালিক তাদের অপরাধ স্বীকার করে নিলে মালিক মোশারফ হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তার ছেলে রাশেদকে ১ বছরের কারাদ’ণ্ড দেওয়া হয়।

এবার চট্টগ্রামে ময়দা দিয়ে তৈরী সেকলো ক্যাপসুল আটক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাটহাজারী পৌরসভার একটি ফার্মেসি থেকে ময়দা দিয়ে বানানো বিপুল পরিমাণ নকল সেকলো ক্যাপসুল জ’ব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পরিচালনা করা ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন।

মো. রুহুল আমিন জানান, ফেসবুকে অভিযোগ পেয়ে আলম ফার্মেসিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সেখান থেকে ময়দা দিয়ে বানানো ২২৪ পাতা নকল সেকলো ক্যাপসুল এবং লাখ টাকা মূল্যের সরকারি ও’ষুধ জ’ব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, আসল সেকলো ক্যাপসুলের ভেতরের দানাগুলো ছোট ছোট। ক্যাপসুলের গায়ে স্কয়ার লেখা থাকে। দানাগুলোর স্বাদ তিতা হয়। অন্যদিকে নকল সেকলোর দানাগুলো হোমিওপ্যাথিক দানার আকারের বড় বড়। দানার স্বাদ ময়দার মতোই।

ইউএনও বলেন, গ্যাস্ট্রিকের ও’ষুধ হিসেবে বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা সেকলো ক্যাপসুলের। এর সুযোগ নিয়ে অ’সাধু ব্যবসায়ীরা নকল সেকলো বাজারজাত করছে। মানুষকে ঠকাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যকে হুম’কির মুখে ফেলছে।

‘অভিযানের খবর পেয়ে ফার্মেসি মালিক পালিয়ে গেছে। আলম ফার্মেসি আমরা বন্ধ করে দিয়েছি’ যোগ করেন ইউএনও মো. রুহুল আমিন।

শেয়ার করুন !
  • 442
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!