স্কুল ছাত্রীদের ছাদে নিয়ে প’র্ন ছবি দেখাতেন প্রধান শিক্ষক!

0

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের প’র্ন ছবি দেখানো এবং যৌ’ন-নিপী’ড়নের অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন নামের এক প্রধান শিক্ষককে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজবাড়ি এলাকা থেকে ওই প্রধান শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

গিয়াস উদ্দিন শহরের বিলপাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি মাইজবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, মাইজবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির চার ছাত্রীকে কিছুদিন ধরে নানা অজুহাতে বিদ্যালয়ের ছাদে নিয়ে যেতেন প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন। সেখানে তাদের মোবাইলে প’র্ন ছবি দেখাতেন তিনি। প’র্ন ছবি না দেখলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়াসহ নানা ভ’য় দেখাতেন।

মঙ্গলবারও ৪ ছাত্রীর মধ্যে ২ ছাত্রীকে ছাদে নিয়ে প’র্ন ছবি দেখানোর চেষ্টা করেন প্রধান শিক্ষক। অন্য ২ ছাত্রী বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের জানান। পরে স্থানীয়রা বিদ্যালয় ঘেরাও করে ওই শিক্ষককে মা’রধর করেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নেন।

অভিভাবকরা বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন নানা অজুহাতে ছাত্রীদের ছাদে নিয়ে খারাপ ছবি দেখাতেন। হাত ধরে টানাটানি করতেন। ছবি না দেখলে নানাভাবে হয়রা’নি করতেন। মঙ্গলবার একই কাজ করলে স্থানীয়দের নিয়ে বিদ্যালয় ঘেরাও করা হয়।

সদর থানার ওসি সহিদুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষককে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ছাত্রীদের পরিবারের লোকজন অভিযোগ দেয়ার জন্য থানায় এসেছেন।

সিলেটে শাহজালাল ৩য় সেতু মেরামতে স্টিলের পরিবর্তে বাঁশ

সিলেট-সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়কে সুরমা নদীর ওপর অবস্থিত শাহজালাল ৩য় সেতু মেরামতে এবার বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্টিলের পাটাতনের পরিবর্তে সেতুর প্যানের জোড়ায় বাঁশ ব্যবহার করেছে সিলেট সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। সেতুর জোড়ার ফাঁকা জায়গায় বাঁশ দিয়ে তার ওপর বিটুমিনের প্রলেপ দিয়েছেন সওজের শ্রমিকরা।

বিশাল আকারের শাহজালাল তৃতীয় সেতুতে বাঁশ ব্যবহার করায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সওজের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন- সেতু মেরামতের কাজে বাঁশ ব্যবহার একটি ক্ষণস্থায়ী সংস্কার কাজ। এতে কোনো ঝুঁ’কি নেই।

সেতুতে বাঁশ দিয়ে সংস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, এ সেতু দিয়ে অতিরিক্ত ভারি বালু ও পাথরবাহী ট্রাক চলাচল করায় সেতুর জোড়া থেকে স্টিলের পাত উঠে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে। স্টিলের পাত চুরি হয়ে যাওয়ায় পাটাতনের ফাঁকা জায়গায় বিটুমিন দিয়ে ভরাট করার জন্য স্টিলের পরিবর্তে বাঁশের ব্যবহার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সেতুটির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সিলেট সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-প্রকৌশলী মো. নূরুল মজিদ চৌধুরী বলেন, সেতুর জোড়ায় লোহার পাত দিয়ে লাগানো ক্লিপ ভেঙে যাওয়ায় তা চুরি হয়ে যায়। এজন্য ক্ষণস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে বাঁশ দিয়ে বিটুমিন ঢেলে পিচ ঢালাই দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত মালবাহী ভারী যানবাহন চলাচল করার কারণে জোড়া লাগানো স্টিলের পাতগুলো ভেঙে উঠে যায়। এর ফলে নতুন করে ওই পাতগুলো লাগানো সম্ভব হয় না, তাই বাঁশ দিয়ে বিটুমিন ঢেলে পিচ ঢালাই দেয়া হয়। কাজটি অবশ্যই ক্ষণস্থায়ী। তবে ন’ষ্ট হয়ে গেলে আবার ঢালাই দেয়া হবে। এতে কোনো ঝুঁ’কি নেই।

নূরুল মজিদ চৌধুরী বলেন, শুধু সুরমা নদীর ওপর শাহজালাল ৩য় সেতুতে নয়, কুশিয়ারার ওপর শেরপুর সেতুসহ সুরমার ওপর নির্মিত অন্য সেতুগুলোতেও এভাবে বাঁশ দিয়ে সাময়িক মেরামতের কাজ আমরা করে থাকি।

এ বিষয়ে সিলেট সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইকবাল আহমদ বলেন, শাহজালাল ৩য় সেতু আমার দায়িত্বে নয়। তবে সেতুতে স্টিলের পাটাতনের বদলে অস্থায়ীভাবে বাঁশ দিয়ে বিটুমিনের পিচ ঢালাই করায় কোনো ঝুঁ’কি নেই। এটি ন’ষ্ট হলে আবার করা হবে।

শেয়ার করুন !
  • 567
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!