কলা বিক্রেতা সেজে পলাতক খু’নিকে ধরল পুলিশ

0

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় স্ত্রীকে শ্বাসরো’ধে হ’ত্যা করে আত্মহ’ত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার ২ মাস পর খু’নি স্বামী গোলজার হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কলা বিক্রেতা সেজে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার মিরপুরের মাটিকাটা এলাকা থেকে গোলজারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত গোলজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী গ্রামের ওহিদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, উপজেলার কল্যান্দী গ্রামের মৃ’ত কালু মিয়ার মেয়ে রুনা আক্তারের (২৭) সঙ্গে একই উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী গ্রামের ওহিদ মিয়ার ছেলে গোলজার হোসেনের বিয়ে হয়। উপজেলার ছোট বিনাইরচর গ্রামের জুলহাসের বাড়িতে বসবাস করেছিলেন তারা। গত ১৬ ডিসেম্বর রুনার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরো’ধে হ’ত্যা করেন গোলজার।

এরপর রুনা আত্মহ’ত্যা করেছেন বলে অপ’প্রচার চালিয়ে ডেডবডি দাফনের প্রস্তুতি নেন। এরই মধ্যে খবর পেয়ে রুনার ডেডবডি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায় রুনাকে শ্বাসরো’ধে হ’ত্যা করা হয়। প্রতিবেদন পাওয়ার পর খু’নিকে গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ।

আড়াইহাজার থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আশাদুর রহমান বলেন, রুনা আক্তারের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার স্বামী গোলজারকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়। গোলজারের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে জানা যায় ঢাকার মাটিকাটা এলাকায় রয়েছেন। পরে ওই এলাকার কলা বিক্রেতা সেজে গোলজারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাংলাদেশ ক্যান্সার চিকিৎসায় এখন অনেক এগিয়ে গেছে

আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস ২০২০ উপলক্ষে শনিবার সকালে বিএসএমএমইউ হাসপাতাল চত্বরে র‌্যালি বের করা হয়। পরে হাসপাতাল অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহানা আক্তার রহমান। অনুষ্ঠানে ৭০ জন ক্যান্সার জয়ী শিশুদের নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, গান, গজল, হামদ-নাত ও নৃত্য পরিবেশন করে শিশুরা। পরে ক্যান্সার জয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময়, আক্রা’ন্তদের কয়েকজন তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ক্যান্সার চিকিৎসায় বর্তমান বিশ্বে এক মাইলফলক বাংলাদেশ। বাংলাদেশেই এখন ক্যান্সারের চিকিৎসা হচ্ছে এবং প্রথম দিকে ক্যান্সার নির্ণয় করা গেলে নিরাময় সম্ভব। তবে, একটি শিশু যখন ক্যান্সারে আক্রা’ন্ত হয় তখন তাদের বাবা মায়ের সব সাজানো স্বপ্নগুলো যেন একে একে ভেঙে যেতে থাকে। আর গ্রা’স করে কালো অন্ধকার। চলে হাসপাতাল আর ডাক্তারের কাছে ছোটাছুটি।

বক্তারা বলেন, আজকে ৭০ জন ক্যান্সার জয়ী শিশুকে নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পেরে ভাল লেগেছে। কারণ তারা শুধু ক্যান্সার জয়ই করেনি রোগ তাদের চলার পথকে সাময়িকভাবে বা’ধাগ্রস্ত করলেও আজ তারা তাদের মেধা, সাহস আর মা বাবার প্রেরণায় মূল স্রোতে মিশে গেছে।

হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের তথ্যঅনুযায়ী ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যান্সার বিভাগ স্থাপিত হয়। এ পর্যন্ত অনেক ক্যান্সার রোগী চিকিৎসা নিয়ে আ’রোগ্য লাভ করেছেন। এছাড়া, ২০১৮ সালে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৮ হাজার এবং আন্তঃবিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯৯০ জন ক্যান্সার আক্রা’ন্ত রোগী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিশু নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান, শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল করিম, অধ্যাপক ডা. আহমেদ মুর্তুজা চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. আতিকুল ইসলাম, আধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এটিএম আতিকুর রহমান।

শেয়ার করুন !
  • 177
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!