খালেদা জিয়াকে অমর-অবিনশ্বর দাবি করলেন দলীয় নেতা মেজর আখতার

0

সময় এখন ডেস্ক:

কারাব’ন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন দলটির সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডি থেকে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, দেশমাতা খালেদা জিয়া জনগণের। জনগণ ভাববে দেশমাতাকে নিয়ে। খালেদা জিয়া মানে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব। খালেদা জিয়া মানে গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন।

খালেদা জিয়া স্বৈ’রশাসকদের ত্রা’স। তিনি কারাগা’রে আটক আছেন, ব’ন্দি নয়। খালেদা জিয়ার মৃ’ত্যু আছে, ধ্বং’স নেই। তিনি অবি’নশ্বর, অমর।

মেজর আখতার আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অপর নাম মাথা তুলে বাঁচা। খালেদা জিয়ার নাম আপসহীন, অ’ন্যায়ের প্র’তিবাদ।

মৃ’ত্যু হবে জা’লিমের কারাগা’রে তবু মাথা নোয়াবে না কোনো স্বৈ’রাচারী একনায়কের কাছে। প্যারোলে মুক্তির চেয়ে জা’লিমের কারাগা’রে মৃ’ত্যু অনেক বেশি মহৎ ও গর্বের এবং সেই মৃ’ত্যুকে তিনি হাসিমুখে বরণ করে নেবেন।

বিএনপির এ নেতা বলেন, আমাদের দুর্বল চিত্তের আপনজন হলে হবে না। আমাদের কঠিন ইস্পাত শপথ নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে দেশমাতার মুক্তি সংগ্রামে। তা হলে ইতিহাসে প্রমাণিত হবে দেশমাতার আপন ছিলাম আমরা।

কলা বিক্রেতা সেজে পলাতক খু’নিকে ধরল পুলিশ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় স্ত্রীকে শ্বাসরো’ধে হ’ত্যা করে আত্মহ’ত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার ২ মাস পর খু’নি স্বামী গোলজার হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কলা বিক্রেতা সেজে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার মিরপুরের মাটিকাটা এলাকা থেকে গোলজারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত গোলজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী গ্রামের ওহিদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, উপজেলার কল্যান্দী গ্রামের মৃ’ত কালু মিয়ার মেয়ে রুনা আক্তারের (২৭) সঙ্গে একই উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী গ্রামের ওহিদ মিয়ার ছেলে গোলজার হোসেনের বিয়ে হয়। উপজেলার ছোট বিনাইরচর গ্রামের জুলহাসের বাড়িতে বসবাস করেছিলেন তারা। গত ১৬ ডিসেম্বর রুনার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরো’ধে হ’ত্যা করেন গোলজার।

এরপর রুনা আত্মহ’ত্যা করেছেন বলে অপ’প্রচার চালিয়ে ডেডবডি দাফনের প্রস্তুতি নেন। এরই মধ্যে খবর পেয়ে রুনার ডেডবডি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায় রুনাকে শ্বাসরো’ধে হ’ত্যা করা হয়। প্রতিবেদন পাওয়ার পর খু’নিকে গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ।

আড়াইহাজার থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আশাদুর রহমান বলেন, রুনা আক্তারের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার স্বামী গোলজারকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়। গোলজারের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে জানা যায় ঢাকার মাটিকাটা এলাকায় রয়েছেন। পরে ওই এলাকার কলা বিক্রেতা সেজে গোলজারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শেয়ার করুন !
  • 45
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply