১৮০০ সিসির অত্যাধুনিক বাইক পেল এসএসএফ

0

বিশেষ প্রতিবেদন:

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এর কর্মদক্ষতা বাড়াতে এবং বাংলাদেশ সরকার বেশ কিছু অত্যাধুনিক মোটরবাইক কেনার পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই সূচনা হিসেবে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাহিনীটিকে ২টি বাইক হস্তান্তর করা হয় প্রাথমিক পর্যায়ে।

বাংলাদেশ সরকার এবং জাপানের বিখ্যাত মোটরসাইকেল এবং অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এর বাংলাদেশ শাখা Honda Bangladesh PVT. LTD এর মধ্যে এই বিশেষ ধরনের মোটরবাইক ক্রয়ের একটি সমঝোতা স্মারক বা MOU সাক্ষর হয়। যার অংশ হিসেবে এই দু’টি মোটরবাইক বাংলাদেশের অন্যতম সেরা নিরাপত্তা বাহিনী এসএসএফ-কে উপহার দিল জাপান। শীঘ্রই এ ধরনের আরো ৪টি বাইক ক্রয় করা হবে এসএসএফ এর জন্য।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) এর মহাপরিচালকের নিকট হোন্ডা বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিনিধি সিইও এবং এমডি Mr. Himihiko Katsuki ২টি ১৮০০ সিসির মোটরসাইকেলের চাবি হস্তান্তর করেন।

১৮০০ সিসির এই দ্রুতগতির বাইক নিয়ে ট্রাফিক জ্যামের শহরে কীভাবে চলবে, সেই চিন্তায় অনেকে নানারকম জল্পনা কল্পনা শুরু করে দিয়েছেন। বিজয় স্মরণী বা দেশের অন্য কোন জায়গা-ই হোক এই বিশেষায়িত মোটরবাইকগুলো নিয়ে এসএসএফ নিশ্চয় জ্যামে পড়বে না। কারন, এই বাইকগুলো ভিভিআইপি প্রটোকলের বাইক। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা প্রটোকলের গাড়িবহর যারা দেখেছেন, তারা জানেন ভিভিআইপি মুভমেন্টের সময় জ্যাম বলে কিছুর অস্তিত্বই থাকে না। তার আগেই রাস্তা ক্লিয়ার করে ফেলা হয়। প্রটোকলের সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে দ্রুত গতির দরকার হতে পারে। তাই ১৮০০ সিসির এই বিশেষায়িত বাইকগুলো নেওয়া হয়েছে।

এই মোটরবাইকগুলো হচ্ছে GL 1800 মডেলের। প্রথমবারের মত দেশের কোনো নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য কেনা সর্বোচ্চ গতির বাইক। এতে রয়েছে ৬ সিলিন্ডার বিশিষ্ট ইঞ্জিন এবং ৪টি রাইডিং মুড। যেগুলো হলো- ট্যুর, স্পোর্টস, ইকোনমি এবং রেইন। এছাড়া রাইডারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এয়ারব্যাগের ব্যবস্থা রয়েছে।

এসএসএফ সম্পর্কে:

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) একটি বাংলাদেশী আইন প্রয়োগকারী বিশেষ সংস্থা। যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্টপতি, জাতির পিতার পরিবারবর্গসহ রাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিভিআইপি) নিরাপত্তায় নিয়োজিত। এসএসএফ বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় সাধন করে দেশ ও দেশের বাইরে উল্লেখিত ব্যক্তিদের শারীরিক নিরাপত্তায় যে কোনো ধরনের হুম’কি থেকে রক্ষা ও সেগুলো প্র’তিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এছাড়াও তারা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাড়ি ও অফিসে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।

এসএসএফ এর কার্যক্রম পরিচালনায় যে কোন সময় প্রয়োজন হলে তারা দেশের অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যেমন, আধা সামরিক বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাহায্য নিতে পারে। পরোয়ানা ছাড়া যে কাউকে গ্রেপ্তারের অধিকার রয়েছে এ সংস্থাটির।

শেয়ার করুন !
  • 496
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!