ময়মনসিংহে ভুয়া সনদে মাদ্রাসায় চাকরি, ৩ শিক্ষক গ্রেপ্তার

0

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জাল সনদের মাধ্যমে শিক্ষকতা করার অভিযোগে যশরা আয়েশা হাসান দাখিল মাদ্রাসার ৩ শিক্ষককে করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পরোয়ানার ভিত্তিতে মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, জুনিয়র মৌলভী বদরুল আলম ও সহকারী মৌলভী আকরাম হোসেন। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ কারাগা’রে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, মাদ্রাসার সাবেক দপ্তরি তফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুখলেছুর রহমানসহ সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, জুনিয়র মৌলভী বদরুল আলম, সহকারী মৌলভী আকরাম হোসেনের বিরু’দ্ধে জাল সনদ ও জাল নিবন্ধনে যশরা আয়েশা হাসান দাখিল মাদ্রাসায় চাকরি করার অভিযোগ এনে ২০১৮ সালের ১১ এপ্রিল ময়মনসিংহ জেলা জজ আদালতে দরখাস্ত করেন। আদালত দরখাস্ত আমলে নিয়ে ২৯ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

দুদকের ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয় ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। দুদকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত গত ১৫ জানুয়ারি যশরা আয়েশা হাসান দাখিল মাদ্রাসার ৪ শিক্ষকের বিরু’দ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গফরগাঁও থানা পুলিশের এসআই নাজিম উদ্দিন অভিযান চালিয়ে ৩ শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, বদরুল আলম ও আকরাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেন।

গফরগাঁও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনুকুল সরকার বলেন, গ্রেপ্তার শিক্ষকদের আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ কারাগা’রে পাঠানো হয়েছে।

জায়গা নিয়ে বিবাদে মসজিদে আগুন, পুড়েছে কোরান-হাদিস গ্রন্থ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় মসজিদে আগুন দিয়েছে দু’র্বৃত্তরা। আগুনে কাঠ ও টিন দিয়ে তৈরি মসজিদটির অধিকাংশই পুড়ে গেছে। পুড়ে গেছে মসজিদে রাখা কোরান শরিফ ও হাদিসসহ অনেক ধর্মীয় বই।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার তারাশী গ্রামের মোহাম্মদ তালুকদারের বাড়ির পাশের জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তে’জনা বিরাজ করছে।

মসজিদের জায়গাটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরো’ধ চলে আসছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহানুর শেখ।

তিনি জানান, মসজিদটি তারাশী গ্রামের মোহাম্মদ তালুকদারের ৮ পুত্র নির্মাণ করেছেন। কিন্তু এই জায়গা নিয়ে মোহাম্মদ তালুকদারের ভাই আহম্মদ তালুকদারের সঙ্গে বিরো’ধ চলছে। তবে এই কাজ যারাই করে থাকুক না কেন তারা একটি জঘ’ন্য কাজ করেছে।

মোহাম্মদ তালুকদারের ছেলে আমিনুল তালুকদার বলেন, রাত দেড়টার দিকে মসজিদে আগুন দেখতে পাই। তখন আমি ঘটনাস্থল থেকে চাচা আহম্মদ তালুকদার ও টিপু তালুকদারকে দৌড়ে যেতে দেখেছি। আমার ধারণা তারাই মসজিদে আগুন দিয়েছে।

এ ব্যাপারে টিপু তালুকদার বলেন, বিরো’ধপূর্ণ জায়গায় আমার ভাতিজা আমিনুলরা মসজিদ নির্মাণ করেছে। এখন তারা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের দো’ষারোপ করছে। আমরা এ ঘটনা ঘটাইনি।

কোটালীপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ লুৎফর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে যারা দোষী প্রমাণিত হবেন তাদের বিরু’দ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!