‘বিমানের স্বার্থে’ অবসরে পাঠানো হলো ডিরেক্টর মমিনুলকে!

0

সময় এখন ডেস্ক:

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিক সাপোর্ট পরিদপ্তর) মমিনুল ইসলামকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিমানের এমডি ও সিইও মোকাব্বির হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে অবসর দেয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, যেহেতু বিমানের পরিচালক মমিনুল ইসলাম ১৯৮৬ সালে জুনিয়র সিকিউরিটি অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন এবং ইতোমধ্যে তার চাকরির মেয়াদকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে তাই বিমানের স্বার্থে তাকে চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন। বিমানের গৃহীত ও অনুসৃত বাংলাদেশ বিমান কর্পোরেশন কর্মচারী বিধিমালা ১৯৮৮ এর বিাধ ৫(ক) অনুযায়ী তাকে চাকরি হতে অবসর প্রদান করা হলো।

অবসরে পাঠানো হলো বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দুকে

প্রকল্পের টাকা আত্ম’সাৎ ও অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তাধীন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে ‘জনস্বার্থে চাকরি থেকে অবসর’ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকারের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বেবিচকের প্রস্তাব মোতাবেক বেবিচকের কর্মচারী প্রবিধানমালা-১৯৮৮ এর ৫৩ প্রবিধি, সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এতদসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীর চাকরি ২৫ বছরের উর্ধ্বে হওয়ায় তাকে জনস্বার্থে চাকরি থেকে অবসর দেয়া হলো।

এ আদেশ মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বেসামরিক বিমান পরিবহনের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজে দুর্নীতি করার অভিযোগে সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে ২০১৮ সালের জুনে জিজ্ঞাসা’বাদ করে দুদক।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি আবারও বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দুসহ ৬ জনকে জিজ্ঞাসা’বাদের জন্য তলব করে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি দমন সংস্থাটি। সুধেন্দু ছাড়া বাকি ৫ কর্মকর্তা হলেন- বেবিচকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী একেএম মাকসুদুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম, মো. শহীদুজ্জামান, মো. মোকাব্বর আলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাজী বায়েজিদ আহমেদ।

জানা যায়, বেবিচকের মেইনটেনেন্স, কনস্ট্রাকশন, কেনাকাটা ও ফান্ড ম্যানেজমেন্টে শত শত কোটি টাকার অ’নিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। অর্থ আত্ম’সাতের মাধ্যমে সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়ি-গাড়িসহ অ’ঢেল অ’বৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ পেয়ে এর তদন্তে নামে দুদক।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!