পচা মাংস খাওয়ানোয় ‘শুকরান’ রেস্টুরেন্টকে জরি’মানা

0

সময় এখন ডেস্ক:

বাইরের পরিবেশ বেশ চকচকে কিন্তু রান্নাঘরের চিত্র পুরো উল্টো। নোং’রা ও অ’স্বাস্থ্যকর রান্না ঘর। ভেতরে প্রচণ্ড দু’র্গন্ধ। ফ্রিজের ভেতর তেলাপোকা। ভেজাল মশলা, পচা মাংস আর পোড়া তেলে তৈরি করছে খাবার।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডি জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘শুকরান’ রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে এমন দৃশ্য দেখেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা জরি’মানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিএফএসএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শান্তুনু চৌধুরী। অভিযানকালে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান আনসারী এবং ব্যাটালিয়ন আনসারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শান্তুনু চৌধুরী জানান, আজ জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে ‘শুকরান’ রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে অত্যন্ত নোং’রা পরিবেশ এবং প্রচণ্ড দু’র্গন্ধ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে মেয়া’দোত্তীর্ণ মশলা, পচা মাংস, প্রচুর পরিমাণে পোড়া তেল এবং রেফ্রিজারেটরে তেলাপোকা পাওয়া যায়।

ওই মশলা, পচা মাংস ও পোড়া তেল খাবার তৈরিতে ব্যবহার করছে। এসব অপরাধে শুকরান রেস্টুরেন্টকে ৩ লাখ টাকা অর্থদ’ণ্ড করা হয়। পাশাপাশি মেয়া’দোত্তীর্ণ মশলা, পচা মাংস ও পোড়া তেল জ’ব্দ করে তা ধ্বং’স করা হয়।

মোদিকে বাংলাদেশে আসার জন্য জাফরুল্লাহর ৩ শর্ত!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মুজিববর্ষে আসার জন্য ৩টি শর্ত বেঁধে দিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জাফরুল্লাহ বলেন, আমাদের রাষ্ট্রীয় এক নেতাকে জামিন দেয়া হচ্ছে না, এর কারণ হলো বিচারকরা। বিচারকরা বর্তমানে ফুটবল খেলোয়াড় হয়ে গেছেন। ফুটবল খেলোয়াড়রা দলীয় লেবাস ধরে, বিচারকরা দলীয় লেবাস ধরছেন না তবে দলীয় কাজ করেন। বিচারকদের কাজ সরকারের মনোরঞ্জন করা নয় কিন্তু তারা তাই করছেন।

তিনি বলেন, এই মার্চেই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন আমি তোমাদের লোক, আমি বাংলাদেশের লোক। আমাদের বর্তমান সরকার বলছে আমরা ভারতের লোক। ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী- যার ভারতের নাগরিকত্বের কাগজ নেই, সেই মোদিকে নিয়ে আসবে। তবে মোদি বাংলাদেশে এলে তাকে ৩টি শর্ত মানতে হবে। তা হলো- ফেলানী ও সীমান্তে মানুষ হ’ত্যার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ভারতের হাইকমিশনের সামনের রাস্তার নাম হবে ফেলানী রোড। আমরা যে পানির হিস্যা পাচ্ছি না, সেই পানি দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ভারতে কী হচ্ছে আমরা জানি। দিল্লিতে কী হচ্ছে আমরা জানি। একটা টুইট লেখার কারণে ভারত থেকে বাংলাদেশের ছাত্রকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদি কী করে মুজিববর্ষে প্রধান অতিথি হতে পারে? এটা হাসিনার পুনর্বিবেচনা করা উচিত। এ বিবেচনা না করলে বঙ্গবন্ধু নিশ্চয়ই কবরে বসে কাঁদবেন। বলবেন এভাবে তাকে অ’পমান করার অধিকার বাংলাদেশ সরকারের তো নেই, আমাদের নেই।

গণতন্ত্রকে হ’ত্যা করে বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে মুজিববর্ষ পালন যথার্থ হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরু প্রমুখ।

শেয়ার করুন !
  • 49
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!