পালিয়ে বিমানে উঠে গেলেন এক করোনারোগী, অতঃপর…

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

শরীরে করোনা ভাইরাস নিয়ে পালিয়ে বিমানে চড়ে বসেছিলেন এক ব্রিটিশ নাগরিক। পরে বিমান থেকে ওই যাত্রীসহ ২৭০ জনকেই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রোববার ভারতের কোচি বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, শরীরে করোনা নিয়েই কোচি বিমানবন্দর থেকে দুবাইগামী বিমানে চড়ে বসেছিলেন এক ব্রিটিশ নাগরিক। বিমানটি উড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই তার সন্ধান পান বিমান বন্দরের কর্মকর্তরা। শেষ পর্যন্ত ওই ব্রিটিশ নাগরিকসহ বিমানের মোট ২৭০ জন যাত্রীকেই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কোচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৮ জন সঙ্গী নিয়ে ওই ব্রিটিশ নাগরিক কেরালার হিল স্টেশন মুন্নারে ছুটি কাটাতে এসেছিলেন। হোটেলে থাকা অবস্থায় তাদের সবাইকে কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়। কিন্তু সেখান থেকে গোপনে বেরিয়ে পড়েন তিনি। হোটেল কর্তৃপক্ষকে কিছু না জানিয়েই বিমানবন্দরে পৌঁছে যান ওই ব্রিটিশ নাগরিক।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে যান ওই ব্রিটিশ নাগরিক।

বিমানবন্দর সূত্রের খবর, পরীক্ষায় ওই ব্রিটিশ নাগরিকের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এরপরই নড়েচড়ে বসেন বিমান বন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ১৯ জনের ওই বিদেশি পর্যটক দলটিকে বিমান থেকে নামানো হবে। পরে সিদ্ধান্ত হয়, বিমানের ২৭০ জন যাত্রীকেই নামিয়ে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে।

কেরালায় এখন পর্যন্ত ২২ জন করোনায় আক্রা’ন্ত হয়েছেন। গত মাসে ওই রাজ্যের করোনা আক্রা’ন্ত প্রথম ৩ জন রোগী সুস্থও হয়ে যান। তবে ব্রিটিশ নাগরিকের এ ঘটনায় রাজ্যটিতে নতুন করে আত’ঙ্ক ছড়িয়েছে।

করোনাতঙ্কে হাসপাতাল ছেড়ে পালালেন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা!

করোনা ভাইরাসের ভ’য়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা পালিয়ে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এমনকি সরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালকও রোগী নিয়ে যেতে অ’স্বীকার জানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দুপুরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে ভারতীয় একটি গণমাধ্যম জানায়, দিল্লি থেকে ফেরা জ্বর, সর্দি-কাশি নিয়ে অসুস্থ ৭৪ বছরের এক বৃদ্ধ শনিবার দুপুর পর্যন্ত বনগাঁ হাসপাতালেই পড়েছিলেন। অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকার কারণে অসুস্থ ওই বৃদ্ধকে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠানো সম্ভব হচ্ছিল না।

ওই বৃদ্ধকে বহন করতে কোনো চালককেই রাজি করানো যাচ্ছিল না। রাজি হননি সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালকও। অবশেষে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার সহায়তায় ওই রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয় আইডি হাসপাতালে।

শেয়ার করুন !
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!