জানেন কি, করোনা ভাইরাস কোথায়, কতক্ষণ পর্যন্ত বেঁচে থাকে?

0

লাইফ স্টাইল ডেস্ক:

চীনসহ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘা’তী করোনা ভাইরাসে প্রাণহা’নির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মৃ’তের সংখ্যা ৫ হাজার ৮৩৯ জনে পৌঁছেছে। আক্রা’ন্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৮ জনে।

এই ভাইরাসের ভ’য়ানক সংক্রা’মক প্রকৃতির কারণে আক্রা’ন্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন অনুসারে, এই ভাইরাস সারাবিশ্বে শতাধিক স্থানে শনাক্ত করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-হু ইতিমধ্যে নোভেল করোনা ভাইরাসকে মহামারী হিসেবে ঘোষণা করেছে।

করোনা ভাইরাসটি বাতাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যদি সংক্রা’মিত ব্যক্তি কোনো জিনিসে স্পর্শ করে বা তার সংস্পর্শে কোনো সুস্থ ব্যক্তি এলেও এটি ছড়িয়ে পড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভাইরাসটিকে তামার ওপর ৪ ঘণ্টা অবধি, কার্ডবোর্ডে ২৪ ঘণ্টা এবং প্লাস্টিক ও স্টেইনলেস স্টিলে ২/৩ দিন পর্যন্ত শনাক্ত করা যায়।

জার্নাল অব হসপিটাল ইনফেকশনে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, মার্স, সার্স ও করোনা ভাইরাস ও এন্ডেমিক হিউম্যান করোনা ভাইরাস গ্লাস, প্লাস্টিক বা ধাতুর মতো নির্জীব পৃষ্ঠে বাঁচতে পারে প্রায় ৯ দিন পর্যন্ত।

আর এই ভাইরাসগুলো মাত্র ১ মিনিটের মধ্যে নি’ষ্ক্রিয় করা যেতে পারে সেসব জীবাণুনা’শক দিয়ে, যেগুলোতে ৬২-৭১ শতাংশ ইথানল, ০.৫ শতাংশ হাইড্রোজেন পারক্সাইড বা ০.১ শতাংশ সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট ধারণ করে।

করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এখনও কোনো ভ্যাক্সিন নেই। তাই প্রতিরো’ধই হচ্ছে এই রোগ থেকে বাঁচার অন্যতম উপায়। তাই সাবান ও পানি দিয়ে সঠিকভাবে হাত ধোয়া ও কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আর মাস্ক পরতে হবে এবং যেখানে-সেখানে স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন। তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

করোনার টিকা আবিষ্কার যুক্তরাজ্যে, শীঘ্রই মানবদেহে পরীক্ষা

করোনা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন (টিকা) আবিষ্কারের দাবি করেছে ব্রিটেনের এক দল গবেষক। এরই মধ্যে সফলভাবে ইঁদুরের ওপর ওই ভ্যাক্সিনের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এই টিকা মানবদেহে পরীক্ষার (ট্রায়াল) জন্য প্রস্তুত হতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। খবর দ্য স্টার অনলাইন।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের সিনিয়র গবেষক পল ম্যাকে বলেন, ইঁদুরের ওপর ভ্যাক্সিন প্রয়োগের ১ মাস পর থেকে ফল পেয়েছি আমি। এ ভ্যাক্সিন সত্যিই কার্যকর।

গবেষক দলের প্রধান রবিন শটকের নেতৃত্বে বর্তমানে তারা প্যারিসের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কাজ করছেন। বানরের ওপর ভ্যাক্সিনটির কার্যকারিতা নির্ধারণে তারা সেখানে কাজ করছেন।

ম্যাকে জানিয়েছেন, তারা মানুষের ওপর ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ পরিচালনা করতে মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের কাছে আরও অর্থের জন্য আবেদন করেছেন।

এদিকে ভ্যাক্সিন নিয়ে কাজ করা প্লাইমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ্রুপ জানিয়েছে, তারা সাংহাই ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ক্যানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির সঙ্গে একযোগে কাজ করছেন।

প্রাণীদের দেহে কোভিড-১৯ প্রতিরো’ধের বিষয়ে একটি ভ্যাক্সিন তৈরি করছেন তারা। এটি ভবিষ্যতের প্রা’দুর্ভাব এবং এ রোগের পুনরায় উত্থান বন্ধ করবে।

শেয়ার করুন !
  • 39
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!