ফিলিপাইনে লকডাউন অ’মান্যকারীকে গু’লি করে হ’ত্যা

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জারি করা লকডাউন অ’মান্য করায় ফিলিপাইনে এক ব্যক্তি পুলিশের গু’লিতে নিহ’ত হয়েছে।

শনিবার পুলিশ জানায়, একটি করোনা চেকপয়েন্টে ৬৩ বছরের ওই ব্যক্তি পুলিশের দিকে কাস্তে নিয়ে তেড়ে যায়। এর আগে গ্রামের লোকদেরও ওই ব্যক্তি ভ’য় দেখিয়েছিল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

লকডাউন আরোপের ২ সপ্তাহের মধ্যে কোনও খাবার না পেয়ে রাজধানী ম্যানিলার বাইরে এক বস্তির বাসিন্দারা বিক্ষো’ভ শুরু করে। এরপরই বুধবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে লকডাউন কার্যকরে কেউ সমস্যা তৈরি করলে তাকে গু’লি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে।

ফিলিপাইনে করোনা ভাইরাসে আক্রা’ন্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৯৪ জন। এদের মধ্যে মৃ’ত্যু হয়েছে ১৪৪ জনের এবং সুস্থ হয়েছেন ৫৭ জন।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ আগুসান ডেল নর্টের নাসিপিট শহরের একটি চেক পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে। মাতাল অবস্থায় গ্রামের কর্মকর্তা ও পুলিশের দিকে ওই ব্যক্তি তেড়ে যায়।

পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাস্ক না পরার জন্য ওই ব্যক্তিকে সতর্ক করেছিলেন গ্রামের এক স্বাস্থ্যকর্মী। কিন্তু এতে ওই ব্যক্তি গা’লাগালি শুরু করে। এক পর্যায়ে কাস্তে নিয়ে তেড়ে যায়। এক পুলিশের দিকে তেড়ে গেলে তাকে গু’লি করা হয়। এতে ওই ব্যক্তি নিহ’ত হয়।

মাস্ক নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আবারও বিপরীত বক্তব্য

মাত্র কয়েকদিন আগেও গণহারে মাস্ক না পরার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। করোনা ভাইরাস প্র’কোপের শুরু থেকেই তাদের পরামর্শ ছিল আক্রা’ন্ত আর তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি বাদে আর কারও মাস্ক পরার দরকার নেই। সেই অবস্থান থেকে ইউটার্ন নিয়েছে সংস্থাটি। এখন তারা সবাইকে মাস্ক পরতে বলছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (৪ এপ্রিল) এমন পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। জরুরি স্বাস্থ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান বলেছেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মাস্ক ব্যবহার করে সংক্র’মণ কমিয়ে আনছে। তাই করোনা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে মাস্ক ব্যবহারকে আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।

তবে সর্বসাধারণের মাস্ক ব্যবহারের ফলে বিশ্বজুড়ে সার্জিক্যাল মাস্কের সং’কট দেখা দিতে পারে; সেই শ’ঙ্কার কথাও আবার জানিয়েছে সংস্থাটি। করোনা সংক্র’মণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহারের কথা বললেও আগের মতো ঘন ঘন হাত ধোয়া, নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব রক্ষা ও বারবার মেডিক্যাল টেস্ট করানোকে করোনা ঠেকানোর প্রধান পদক্ষেপ হিসেবে আবারও বর্ণনা করেছে ডব্লিউএইচও।

এর আগে গত ২৯ মার্চের সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার জরুরি স্বাস্থ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক মাইক রায়ান বলেন, গণহারে মাস্ক পরার কারণে বিশ্বজুড়ে এই সরঞ্জামের ব্যাপক স’ঙ্কট দেখা দিয়েছে। যেসব স্বাস্থ্যকর্মী সামনে থেকে করোনায় আক্রা’ন্ত রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত, বর্তমানে তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁ’কিতে রয়েছেন। কেননা তারা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে ভাইরাসটির সংস্পর্শে আসছেন। তাদের মাস্ক না থাকার বিষয়টি ভ’য়াবহ।

শেয়ার করুন !
  • 111
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!