বাংলাদেশের জন্য ব্রিটেন বরাদ্দ দিয়েছে ২১ মিলিয়ন পাউন্ড

0

অর্থনীতি ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের মহামা’রি মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে ২১ মিলিয়ন পাউন্ড অর্থাৎ প্রায় ২১৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার তহবিল ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। তবে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা ও চিকিৎসা খাতে ব্যয় করা হবে তহবিলের পুরো টাকা।

সোমবার ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে। তহবিলের অর্থ কোথায় খরচ হবে তার একটি হিসাবও দেওয়া হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

এতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস মোকাবেলার ক্ষেত্রে জাতীয় প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রস্তুতির জন্য ২১ মিলিয়ন পাউন্ডের তহবিল থেকে প্রায় সমান অর্থ ব্যয় করা হবে।

ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও ও বিশ্ব ব্যাংকের মতো সংস্থার মাধ্যমে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণ (পিপিই) ক্রয়, টেস্টিংয়ের জন্য ল্যাবরেটরির উপকরণ এবং হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহের জন্য ৭ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হবে।

এছাড়া বাংলাদেশের ২০টি শহরে বস্তিবাসীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি ও তাদের হাত ধোয়ার স্থান নির্মাণের জন্য ইউএনডিপি ৩ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করবে।

আর বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাধ্যমে সারাদেশে ৫০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী স্থানীয়ভাবে সচেতনতা তৈরির কাজ করছে উল্লেখ করে সংস্থাটির জন্য ১ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এছাড়া রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে সচেতনতা তৈরি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ, সাবান বিতরণ, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা বৃদ্ধির ব্যবস্থার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে বাকি ১০ মিলিয়ন পাউন্ড দেওয়া হবে বলে ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

বিশ্ববাসীকে রক্ষায় বিল গেটসের ৭টি কারখানায় করোনা-ভ্যাক্সিন উৎপাদনের চেষ্টা চলছে

করোনা ভাইরাসের একটি টিকা আবিস্কারের জন্য বিশ্বের সেরা সব বিজ্ঞানীরা এখন নানা দেশের গবেষণাগারে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন। সেই চেষ্টায় সফল হতে তাদের সময় লাগবে অনেক, বলা হচ্ছে অন্তত ১ বছর হতে ১৮ মাস। কিন্তু এই টিকা আবিস্কারের আগেই বিপুল সংখ্যায় টিকা তৈরির জন্য ৭টি পৃথক কারখানা স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘দ্য ডেইলি শো‌’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেন, যে ৭টি কারখানা তৈরি করবেন, তার মধ্যে আসলে শেষ পর্যন্ত কাজে লাগবে ১টি বা ২টি মাত্র কারখানা। বাকীগুলো এক অর্থে অপ’চয়। কিন্ত করোনা ভাইরাসে যে লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এবং অর্থনীতির যে বিপুল ক্ষ’তি করছে- তা এড়ানো যাবে, সে তুলনায় এটি কিছুই নয় বলে মনে করেন তিনি।

শেয়ার করুন !
  • 475
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!