ডিম্বাণু বিক্রি করেই বিপুল আয় করছেন তরুণীরা!

0

ফিচার ডেস্ক:

যদিও অধিকাংশ বিবাহিত নারী ও পুরুষই মনে করে থাকেন যে, তারা সন্তান ধারণে সক্ষম। জানলে হয়তো অবাক লাগতে পারে, বাস্তবে প্রতি ১০ দম্পতির মধ্যে ১ দম্পতির গর্ভধারণে সমস্যা রয়েছে। যারা সন্তান চান কিন্তু সন্তান পান না, তাদের জীবনে বিষাদ, ক্রো’ধ, হ’তাশা দেখা দেয়।

তবে এবার ব’ন্ধ্যাত্ব মোকাবেলায় পথ দেখাচ্ছেন ‘ডোনেটর গার্লস’। ব’ন্ধ্যাত্বের কারণে যেসব দম্পতি সন্তানসুখ থেকে ব’ঞ্চিত হন, তাদের জন্যই নিজেদের ‘ডিম্বাণু ডোনেট’ করছেন বহু যুবতী। বিভিন্ন ফার্টাইলিটি ক্লিনিকে গিয়ে নিজেদের ডিম্বাণু ডোনেট করে আসছেন তারা। আর প্রতিবার ডিম্বাণু দেয়ার জন্য পাচ্ছেন ২০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা।

তবে টাকার অংকই যে শুধু প্রধান কারণ, তা কিন্তু নয়। ডোনেটর তরুণীরা জানিয়েছেন, নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তানলাভে সাহায্য করাই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। একটি সন্তানের জন্য তাদের যে আকাঙ্খা, যে আকুলতা, তা দেখে এগিয়ে আসেন অনেক সক্ষম তরুণী। অনেকেই একে সোশ্যাল ওয়ার্ক বলে মনে করেন। টাকাটা এক্ষেত্রে বিনিময় হিসেবে মানতে রাজি নন তারা। এর ফলে অনেকেই ডোনেট করতে উদ্বুদ্ধ হন বলে তাদের দাবি।

যেভাবে ডোনেট করেন তরুণীরা:

ডোনেশন সাইটে নাম নথিভুক্ত করার পর নির্দিষ্ট ক্লিনিক থেকে যোগাযোগ করা হয় ওই আগ্রহী ডোনারের সঙ্গে। গাইনোকোলজিস্ট খতিয়ে দেখেন একজন আগ্রহী ডোনারের বয়স, উচ্চতা, ব্লাড গ্রুপ ও পারিবারিক অসুখ বিসুখের ইতিহাস। এছাড়া ডিম্বাণু ডোনেশনের জন্য ওই যুবতী শারীরিকভাবে কতটা সক্ষম, কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তা দেখে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে মনোবিদের সঙ্গে পরামর্শও চলতে থাকে।

শরীর ও মন পুরোপুরি ডোনেশনের জন্য প্রস্তুত মনে হলে, ডাক্তার হরমোনাল ইনজেকশন দেন। যাতে বেশি সংখ্যায় ডিম্বাণু উৎপাদন হয়। তবে অনেক সময় এই ইনজেকশনের ফলে বমি, মাথায় চক্কর, মাথা য’ন্ত্রণা, খি’টখিটে ভাব ইত্যাদি নানা উপসর্গ দেখা দেয়। আবার ডিম্বাণু ডোনেশনের ক্ষেত্রে ‘গায়ের রঙ’ টাকার অঙ্কে বড় ফ্যাক্ট হিসেবে কাজ করে।

শেয়ার করুন !
  • 120
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!