চীন থেকে বিপুল পরিমাণ কিট-পিপিইসহ চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে এলো বিমান বাহিনী

0

সময় এখন ডেস্ক:

চীন থেকে করোনা ভাইরাস শনাক্তকারী কিট ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) সহ চিকিৎসা সহায়ক সামগ্রী আনলো বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিমান বাহিনীর সি-১৩০জে পরিবহন বিমানে এসব চিকিৎসা সামগ্রী দেশে আনা হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান করোনা ভাইরাস শনাক্তকারী কিট, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) সহ চিকিৎসা সহায়ক সামগ্রী নিয়ে চীন থেকে ঢাকায় ফিরেছে।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সশ’স্ত্র বাহিনী বিভাগ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিমান বাহিনী চীন থেকে চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে আসে। সামগ্রীগুলোর মধ্যে রয়েছে, করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ কিট, ১২ লাখ ২২ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক, ৭ হাজার ৫০০টি এন-৯৫ মাস্ক, ১৩০টি ইলেকট্রিক থার্মোমিটার, ২ হাজার প্রটেক্টিভ গ্লাভস, ১০ হাজার ২০০টি মেডিক্যাল সেফটি গ্লাস, ২০০টি গগলস এবং ১০ হাজার ৪৫৯টি পিপিইসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সহায়ক সামগ্রী।

এছাড়া একই বিমানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থাকে দেওয়া আরও কিছু স্বাস্থ্যসেবা সহায়ক সামগ্রী চীন থেকে দেশে আনা হয়।

উল্লেখ্য, চীন থেকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সহায়ক সামগ্রী আনতে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিমান বাহিনীর ১৬ জন এয়ার ক্রু চীনের উদ্দেশে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার কমোডর মো. জাহিদুর রহমান, জিডি(পি) দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আমরা সময় ন’ষ্ট করিনি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের কার্যক্রম মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হয়েছে। পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুয়েমেন্ট) তৈরি করা হচ্ছে তখন থেকেই। পিপিইর জন্য স্পেসিফিকেশন ও অনুমোদন নিতে হয়েছে ও’ষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে। ফলে এ ক্ষেত্রে আমরা কোনও সময় ন’ষ্ট করিনি।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত অনলাইন সংবাদ বুলেটিনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষা করার জন্য প্রথম কিট পাওয়া গেছে ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং তখন থেকে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘প্রথম যখন চীন ফেরতদের আশকোনা হজক্যাম্পে রাখা হলো, তখনই কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালকে তৈরি করা হয়েছে। আমরা কোনও সময় ন’ষ্ট করিনি।’ তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির শেষে দেশের সব হাসপাতালকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। সব হাসপাতালে ট্রিটমেন্ট গাইড দেওয়া হয়েছে।’

তবে পরীক্ষা আরও বেশি করে করা হোক জানিয়ে স্বাস্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আরও বেশি বেশি পরীক্ষা করা উচিত। আর পরীক্ষা হলেই রোগী শনাক্ত হবে। রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি তখন সংক্র’মণ রো’ধ হবে।’ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মূল হচ্ছে সংক্র’মণ প্রতিরোধ করা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন !
  • 170
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!