নকল মাস্ক সাপ্লায়ার জামায়াতি কোম্পানি JMI এবার ‘আসল’ KN-95 তৈরীর অনুমোদন চায়!

0

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

দেশে করোনার প্রা’দুর্ভাব শুরু হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় ঔ’ষধাগার (সিএমএসডি) থেকে সরকারি হাসপাতালে সরবরাহ করা হয় চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) ও মাস্কসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। এসব সরঞ্জামের মধ্যে বড় একটি অংশের এন-৯৫ মাস্ক ছিল নকল। সেগুলো সরবরাহ করেছিল বেসরকারি স্বাস্থ্য সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপ। যার মালিক জামায়াতের এক শীর্ষ নেতা।

এবার সেই প্রতিষ্ঠানটি এন-৯৫ এর সমমানের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কেএন-৯৫ মাস্ক দেশে উৎপাদন ও সরবরাহের অনুমতি চায় বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে নিজেদের তৈরি করা কেএন-৯৫ মাস্কের পরীক্ষামূলক উৎপাদন সম্পন্ন করেছে জেএমআই। চূড়ান্ত অনুমোদন ও পরীক্ষার জন্য সেই মাস্ক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে (ডিজিডিএ) পাঠায় তারা।

মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত জেএমআই-এর কারখানায় প্রতিদিন ৪০ হাজার কেএন-৯৫ মাস্ক তৈরি করা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, অনুমোদন পেলে কেএন-৯৫ মাস্কের উৎপাদন শুরু করা হবে। এর মান নিশ্চিতে চীনের পণ্যমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) পরিচালক মো. রুহুল আমিন বলেন, অনুমোদিত পরীক্ষাগারে মাস্কগুলো পরীক্ষার পর প্রতিষ্ঠানটির কারখানা পরিদর্শন করবে কর্তৃপক্ষ। সব কিছু সন্তোষজনক হলে প্রতিষ্ঠানটিকে পণ্য বাজারজাত করার অনুমতি দেয়া হবে।

নকল এন-৯৫ সাপ্লায়ার জামায়াতি কোম্পানি JMI’কে রক্ষায় আটকে গেছে রিপোর্ট?

জেএমআই কর্তৃক এন-৯৫ এর মোড়কে সাধারণ মাস্ক কেন্দ্রীয় ঔ’ষধাগারকে (সিএমএসডি) গছিয়ে দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের পর ওই কমিটি এরই মধ্যে এই নকল এন-৯৫ মাস্ক বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে জমা হওয়ার পর এখনও প্রকাশিত হয়নি সে প্রতিবেদন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘অধিকতর যাচাই-বাছাই’ ও ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’র করতে গিয়েই এখনো প্রতিবেদনটি প্রকাশ পায়নি। প্রশ্ন উঠেছে, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাতেই কি প্রতিবেদন প্রকাশে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে?

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের জন্য নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের খবর প্রকাশ পেলে তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। গত ২১ এপ্রিল এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. সাইদূর রহমান শুক্রবার (১ মে) বলেন, আমাদের তদন্ত আগেই শেষ হয়েছে। আমরা গত ২৮ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন জমাও দিয়েছি মন্ত্রণালয়ে। সেটি কেন প্রকাশ পায়নি, সে বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।

সাইদূর রহমান জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। তবে প্রতিবেদনে কোনো সুপারিশ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান খান বলেন, হ্যাঁ, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা হয়েছে। এটি ২৮ এপ্রিল জমা হয়েছে বলে শুনেছি। এখন এই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট যাচাই-বাছাই ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে। এরপরই এই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যেহেতু প্রতিবেদনটি এখন স্বাস্থ্য সেবা সচিবের কাছে আছে, তাই এ বিষয়ে অন্য মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তদন্তে কিছু বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এন-৯৫ মাস্কের সরবরাহের জন্য জেএমআই গ্রুপের কাছে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল কি না, জেএমআই গ্রুপের এন-৯৫ মাস্ক তৈরি বা বিতরণের অনুমোদন আছে কি না— এ বিষয়গুলো ছিল তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে। এছাড়াও মাস্ক সরবরাহে কোনো ধরনের জালিয়াতি বা দুর্নীতি করা হয়েছে কি না, সেটিও প্রাধান্য পায়। তবে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিলেও তা প্রকাশ করতে গড়িমসি কেন, তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

তদন্ত বিষয়ে কেন্দ্রীয় ঔ’ষধাগার (সিএমএসডি) পরিচালক (ভাণ্ডার ও সরবরাহ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, কমিটি আমাদের এখানে তদন্ত করে গেছে। এটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের কোনো ভুল পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ আমাদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের অর্ডারই দেইনি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ব্রিফিংয়েই আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলাম।

এদিকে জেএমআই গ্রুপের পক্ষ থেকেও তদন্ত বিষয়ে মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, কমিটি আমাদের এখানে সবকিছু তদন্ত করে গেছেন। যেহেতু প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি, তাই এটা নিয়ে মন্তব্য না করাই ভালো।

তবে যার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সেই সচিব আসাদুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে দুই দিন ধরে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। তার নম্বরে বারবার এসএমএস পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকেও ফোনে পাওয়া যায়নি।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চিকিৎসক জানান, তদন্ত শেষ হওয়ার পরেও রিপোর্টের ফলাফল প্রকাশ না হওয়ার কারণ হতে পারে একটাই। আর তা হলো মাস্ক কেলে’ঙ্কারির সঙ্গে জড়িত জামায়াত নেতার প্রতিষ্ঠান জেএমআই’কে বাঁচানোর একটা প্রয়াস চালানো।

এদিকে, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ বা এন-৯৫ মাস্ক কেলে’ঙ্কারি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি এরই মধ্যে কাজও শুরু করেছে।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচশ’র বেশি চিকিৎসক নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রা’ন্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সিবিলিটিস (এফডিএসআর)। নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহের কারণেই চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রা’ন্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

মাস্ক নিয়ে চিকিৎসকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্তে নামে। তখন জানা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔ’ষধাগারের (সিএমএসডি) একশ্রেণির কর্মকর্তার যোগসাজশে নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক মুন্সীগঞ্জের একটি কারখানায় বানিয়ে ভুয়া আমদানি দেখিয়ে সরবরাহ করেছে জেএমআই। এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তার বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগে। ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। কেন্দ্রীয় ঔ’ষধাগারের করোনা মোকাবিলা সামগ্রী কেনাকাটার প্রায় ৭০ শতাংশই সরবরাহ করে জেএমআই। তাদের সরবরাহ করা ‘এন-৯৫’ মাস্কের মান নিয়ে শুরু থেকেই চিকিত্সকদের প্রশ্ন ছিল। ডাক্তাররা বারবার বলে আসছিলেন, এটি ২ নম্বর মাস্ক। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি কর্ণপাত করেননি।

একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তদন্ত করতে গিয়ে ভ’য়াবহ তথ্য পান। জেএমআই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে জামায়াতের অন্যতম ডোনার। সরকারকে বে’কায়দায় ফেলতে পরিকল্পিতভাবে এই প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের মাস্ক চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের সরবরাহ করেছে। আর তাকে কাজ পাইয়ে দিতে সহায়তা করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা। একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ও তার সন্তানও এই চক্রে জড়িত বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে। করোনা মোকাবেলায় শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে কাজে না লাগানোও তাদের ষড়’যন্ত্রের অংশ। জানা গেছে, সম্প্রতি গোয়েন্দা রিপোর্টটি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণির কর্মকর্তা করোনা ইস্যুকে পুঁজি করে বাণিজ্যে মেতে উঠেছে, সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে—এ দের কারোরই ব্যাকগ্রাউন্ড আওয়ামী লীগের নয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা যিনি ছাত্র জীবনে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় এক নেতার ঘনিষ্ঠ বন্ধু তিনি। সারাজীবন বিএনপি-জামায়াতের স্বার্থে কাজ করা ঐ কর্মকর্তার সহায়তায় জেএমআই প্রতিষ্ঠানটি মন্ত্রণালয়ের সিংহভাগ কাজ পেয়েছে।

বর্তমান সরকারকে বিপদে ফেলতেই নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক সরবরাহ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের সকল চিকিত্সককে নিশ্চিত মৃ’ত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। ঝুঁ’কির মুখে আজ দেশের স্বাস্থ্যসেবা, বি’পন্ন হয়ে পড়েছে সরাসরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী চিকিত্সক ও নার্সদের জীবন। রিপোর্টে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, অতিদ্রুত উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সামনে আরো বড়ো ধরনের বিপদে পড়তে হবে আমাদের। জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপস করার কোনো সুযোগ নেই; স্বাস্থ্য খাতকে বাঁচাতে হলে এদের বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, জেএমআই গ্রুপ নামের প্রতিষ্ঠানটি ‘এন-৯৫’-এর প্যাকেটে সাধারণ মাস্ক দিয়েছে ‘ভুলবশত’। এজন্য কেন্দ্রীয় ঔ’ষধাগারের পক্ষ থেকে জেএমআইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের জন্য নিম্ন’মানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে। এগুলো ব্যবহার করে করোনার রোগীর চিকিত্সায় আইসোলেশন ওয়ার্ড, আইসিইউ ও ল্যাবরেটরিতে যাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁ’কি থাকে। মাস্কের ওপর শুধু ‘এন-৯৫’ সিল মারা, এটা পুরোটাই নকল।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে বাংলাদেশে আমদানিকৃত কেএন-৯৫ মাস্কের দাম ৩০০ টাকার মত। অনুমোদন পেলে ১৫০-১৬০ টাকায় কেএন-৯৫ মাস্ক বিক্রি করা যাবে বলে জানায় জেএমআই গ্রুপ।

এন-৯৫ মাস্ক-এর মোড়ক লাগিয়ে সাধারণ মাস্ক বিক্রির করার ঘটনাকে ভুলবশতঃ ঘটেছে বলে দাবি করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর এক শীর্ষ নেতার প্রতিষ্ঠান জেএমআই। তাদের হয়ে সাফাই গেয়েছে খোদ স্বাস্থ্য বিভাগও। দেশব্যাপী এ ঘটনা নিয়ে তুমুল সমালোচনার পরেও এই ঘটনা নিয়ে চলছে ঢাক ঢাক গুড়গুড়।

সূত্র: ইত্তেফাক ও সারাবাংলা

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!