ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: তথ্য-উপাত্ত ও সেবাদানে চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

0

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আঘা’ত হানার আগেই জান-মালের ক্ষ’তি কমাতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর। এসব কক্ষের মাধ্যমে জরুরি তথ্য-উপাত্ত ও সেবা গ্রহণে বিভাগের জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষ।

প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগের টেলিফোন নাম্বার-

* চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফোন নম্বর: ০৩১-৬১১ ৫৪৫, ০১৭০০ ৭১৬ ৬৯১।

* চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)
সিএমপির দামপাড়া সদরদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মোবাইল নম্বর: ০১ ৪০০ ৪০০ ৪০০, ০১৮ ৮০ ৮০ ৮০ ৮০।

* চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)
চসিকের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফোন নম্বর: ০৩১-৬৩০ ৭৩৯, ০৩১-৬৩৩ ৬৪৯।

* চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ৩টি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। নৌ বিভাগ (০৩১ ৭২৬ ৯১৬), পরিবহন বিভাগ (০৩১ ২৫১ ৭৭১১) ও সচিব বিভাগ (০১৭৫১ ৭১৩ ০৩৭)

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে আবহাওয়া অফিস পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় নানা পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষয়ক্ষ’তির পরিমাণ কমিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। কিন্তু করোনা ভাইরাসের মধ্যে আম্ফান ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একটি চ্যালেঞ্জ। এজন্য আশ্রয়গ্রহণকারীদের লক্ষ্য রাখার পাশাপাশি ত্রাণ কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে হতাহ’তের সংখ্যা কম এখন। কিন্তু করোনার ফলে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে বাড়তি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। শুধু আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীরাই নয়, যারা ত্রাণ বিতরণে জড়িত, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে থাকবেন- তাদেরও স্বাস্থ্যবিধি মানা জরুরি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ বলছেন, এ সময়ে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। যদি শেল্টারে আসার কারণে করোনা ভাইরাস কোনোভাবে সং’ক্রমিত হয় বা ছড়ায়, তাহলে ওই এলাকায় সং’ক্রমণের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। এটাও একটা ঝুঁ’কি। তাই ঘূর্ণিঝড় শেষ হলে সেখানে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

এছাড়া কারো উপসর্গ পাওয়া গেলে পুরো আশ্রয়কেন্দ্র লকডাউন করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কে তিনি বলেন, করোনার প্রা’দুর্ভাব আবার চলতি বছরের বাজেটেরও শেষ মুহূর্ত চলছে। সরকারের যে মজুদ বা গচ্ছিত অর্থ আছে তা অল্প মানুষকে দেওয়া যাবে। না হলে, নতুন বাজেটের অপেক্ষা করতে হবে।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!