পোর্টেবল ভেন্টিলেটর উদ্ভাবন করল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি

0

বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক:

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন ল্যাব ও তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের যৌথ উদ্যোগে সহজে বহনযোগ্য (পোর্টেবল) ভেন্টিলেটরের প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়েছে। স্বল্পমূল্যে প্রস্তুত এ ভেন্টিলেটরটি গুরুতর শ্বাসক’ষ্টজনিত অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় অসাধারণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

গত রবিবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার (জনসংযোগ) সোহেল আহসান নিপু এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ভেন্টিলেটরটি তৈরীতে নির্বাহী তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন ল্যাবের প্রধান প্রকৌশলী কাজী তাইফ সাদাত।

সোহেল আহসান জানান, এ ভেন্টিলেটরটিতে মেকানিক্যাল পাম্পের বদলে ইলেকট্রনিক পাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে মেশিনটির রক্ষণাবেক্ষণ অনেক সহজ ও যান্ত্রিক ঘর্ষণজনিত ক্ষয় কম। মেশিনটি দ্বারা সুষম বায়ুুপ্রবাহের জন্য দুটি ডায়াফ্রাম পাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। তা থাইরিস্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সম্পূর্ণ কার্যপ্রণালিটি মাইক্রোকন্ট্রোলারের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ মেশিনটিতে রোগীর প্রয়োজনমতো পাম্পের গতি, শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাস ত্যাগের সময় নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ কারণে মেশিনটি শিশু ও বয়স্ক- উভয় রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার উপযোগী। ভবিষ্যতে মেশিনটির সঙ্গে হার্টরেট পর্যবেক্ষণ সুবিধা সংযোজন করা হবে- যাতে রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়। এ ছাড়া বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন করে দেশীয় প্রযুক্তির এই স্বল্পমূল্যের যন্ত্রটি করোনা ভাইরাসে আক্রা’ন্ত মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসাকাজে ব্যবহার করা সম্ভব।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাক্সিন নিয়ে দুঃসংবাদ:

দুঃসংবাদ এসেছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাক্সিনগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে থাকা অক্সফোর্ডেও টিকাটি প্রাণীর ওপর পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, এরই মধ্যে রেসাস ম্যাকাক প্রজাতির বানরের ওপর এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেছে, টিকা প্রয়োগের পরেও ওই বানরগুলো করোনায় আক্রা’ন্ত হয়েছে। এর ফলে মানবদেহে এই টিকা কতটুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের সাবেক অধ্যাপক ডা. উইলিয়াম হ্যাসেলটাইন বলেন, অক্সফোর্ডের টিকাটি যেসব বানরের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছিল দেখা গেছে তাদের প্রত্যেকেই করোনায় আক্রা’ন্ত হয়েছে। যেসব বানরকে টিকা দেওয়া হয়নি সেগুলোর শরীর থেকে যে পরিমাণ ভাইরাল আরএনএ শনাক্ত করা হয়েছে, তাতে ভ্যাক্সিন দেওয়া বানরের সমান ছিল। যার মানে হচ্ছে, টিকা দেওয়া সব বানরই আক্রা’ন্ত হয়েছে।

শেয়ার করুন !
  • 87
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!