গলায় ফাঁ’স সুশান্তের, প্রশ্ন অনেক

0

বিনোদন ডেস্ক:

তরুণ অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত গলায় ফাঁ’স দিলেন। বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে তার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাড়িতে থাকা কাগজপত্র থেকে জানা যাচ্ছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন তিনি।

এদিকে গত ৮ জুন ১৪ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে মা’রা যান সুশান্ত সিং রাজপুতের সাবেক ম্যানেজার দিশা সালিয়ান। মাত্র ৫ দিনের ব্যবধানে সুশান্ত’র মৃত্যু জন্ম দিয়েছে অনেক প্রশ্নের।

দিশার মৃ’ত্যুর পর স্ত’ম্ভিত সুশান্ত সুশান্ত ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘এটা কোনো সমাধান ছিল না।’ সেই তিনি আজ এভাবে চলে গেলেন। এই দুয়ের মাঝে কোনো সংযোগ আছে কি না, খতিয়ে দেখছে মুম্বাই পুলিশ।

বই পড়তে অসম্ভব ভালবাসতেন ৩৪ বছর বয়সী সুশান্ত। উ’ন্মাদনায় যেন সর্বক্ষণ টগবগ করছেন। বলিউডে তার উত্থান ছিল উল্কার মত। ছোট পর্দায় যখন কাজ করতেন তখনই স্নেহের পাত্র ছিলেন সেটের সকলের। বলিউডেও বিগ বি থেকে শুরু করে প্রযোজক পরিচালকদের খুবই কাছের ছিলেন সুশান্ত। তার এমন পরিণতি যেন হতভম্ব করে দিয়েছে বলিউড তথা পুরো ভারতকে।

খবর পেয়ে নন্দিত নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ টুইটে বলেন, ‘কী বলে… এটা সত্য নয়!’ গওহর খান তার টুইট বার্তায় বলেন, ‘হায় হায়…কী ঘটছে?’

টাইমস নাউয়ের সাংবাদিক মেঘনা প্রসাদ টুইট বার্তায় বলেন, ‘সুশান্ত সিং রাজপুত মা’রা গেছেন। তার মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত করেছে।’

এক সময়ে ছোট পর্দায় সেনসেশন ছিলেন সুশান্ত। অত্যন্ত জনপ্রিয় টেলি সিরিয়াল ‘পবিত্র রিস্তায়’ ছিলেন মুখ্য চরিত্র। সৌমকান্তি সেই তরুণের আবেদন ছুঁয়ে যায় দর্শকের হৃদয়। সেই অভিনয় ও সারল্যে মুগ্ধ হয়েই কাই পো চে-র জন্য তাকে বেছে নেন পরিচালক অভিষেক কাপুর। এরপর তিনি অনেক সিনেমায় অভিনয় করেন যার মধ্যে- ‘পিকে’, ‘কেদারনাথ’, ‘শুধ দেশি রোমান্স’ ‘ডিটেক্টিভ ব্যোমকেশ বক্সী’ ও মহেন্দ্র সিং ধোনির বায়োপিক ‘এমএস ধোনি : দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সুশান্তকে তারকা খ্যাতি এনে দেয়।

১৯৮৬ সালে বিহারের পাটনায় জন্ম সুশান্তের। পড়াশুনা শেষ করে মুম্বাই চলে আসেন। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্নাতক হলেও বরাবরই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তার। ২০০৮ সালে হিন্দি সিরিয়াল দিয়েই তার হাতেখড়ি। স্টার প্লাসে ‘কিস দেশ মে হ্যায় মেরা দিল’ সিরিয়াল দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু।

শেয়ার করুন !
  • 199
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply