গণস্বাস্থ্যের কিট নিয়ে সরকারকে দোষ দেয়া জামাতি-বামাতিরা এখন কোথায়: আরাফাত

0

সময় এখন ডেস্ক:

গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি কিটের কাজ করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা নয় বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্যের কিটের প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার। এ বিষয়ে ডা. মুহিব উল্লাহ বলেন, ‘অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এটার নমুনা সংগ্রহের ত্রু’টি ধরা পড়ায় টেস্ট/পরীক্ষা বন্ধ রাখতে বলেছি।

গণস্বাস্থ্যের কিটটি সফল হোক এটা আমিও চেয়েছিলাম। তবে, এই কিট নিয়ে মিডিয়া হাইপ এবং অপ’রাজনীতির বিরু’দ্ধে ছিলাম আমি। আমরা চেয়েছিলাম নিয়ম মেনে আবিস্কৃত কিটটির বিজ্ঞানভিত্তিক মূল্যায়ন বা পরীক্ষা হোক। বিজ্ঞানভিত্তিক মূল্যায়নে ‘পাশ’ করলে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ আর না করলে ‘কিছু করার নাই’। কিন্তু, মানুষের অ’জ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক মূল্যায়ন বা পরীক্ষার বিপরীতে মিডিয়া ব্যবহার করে, কিটটি অনুমোদনের জন্য যে চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং দরকষাকষি করা হয় তার বিপক্ষে ছিল আমার অবস্থান। মানুষের কল্যাণের স্বার্থেই অপ’প্রচার বা অপ’রাজনীতির বিপক্ষে বিজ্ঞানকেই অগ্রাধিকার দিতে চেয়েছিলাম।

এখন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নিজেই বলছে তাদের কিটের কাজ করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা নয়। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এও বলছে তাদের অ্যান্টিজেন কিটে ত্রু’টি ধরা পড়ায় টেস্ট/পরীক্ষা বন্ধ রাখতে বলেছে।

তাহলে, এতদিন যেসব জামাতি-বামাতি কূপমন্ডুকগুলো গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের আবিস্কৃত কিটের পক্ষে বিজ্ঞানকে উপেক্ষা করে অন্ধের মতো ‘চাটুকারি’ করলেন, সেই চাটুকাররা এখন কী বলবেন?

সবচেয়ে দুঃখজনক হলো এই যে, এই চাটুকারদের একাংশ এখনও নির্লজ্জ মিথ্যাচারের মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রা’ন্ত করার চক্রা’ন্তে লিপ্ত।

লেখক: মোহাম্মদ এ. আরাফাত
অধ্যাপক, চেয়ারম্যান, সুচিন্তা ফাউন্ডেশন

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক আজগুবি বিভাগ: এমপি একরাম

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী দেশের স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন।

সেখানে তিনি আক্ষেপ নিয়ে কিছু কথা বলেছেন, যা এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। করোনায় এক কর্মীর মৃ’ত্যুর পর তিনি এই ভিডিও বার্তা দেন।

একরামুল করিম চৌধুরী এমপি বলেন, সরকার ঘোষণা করল নোয়াখালীকে ১০টা আইসিইউ দেবে। এটার কোনো আওয়াজ নাই দেখি। আসলে এ ডিপার্টমেন্টটা কে চালাচ্ছে? আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য। কিন্তু আমার কাছেই মনে হলো, এটা আজগুবি ডিপার্টমেন্ট (বিভাগ)। এটার কোনো আগা নেই, মাথা নেই।

তিনি মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে বলেন, মন্ত্রণালয় চালাতে তীক্ষ্ণ বুদ্ধি লাগে। শুধু অর্থনীতির দিকে তাকালে হবে না, পকেট ভারীর দিকে তাকালেও হবে না। কী করব এই টাকা দিয়ে, কবরে তো নিয়ে যেতে পারব না। আমি ডিসি সাহেবকে বললাম, অক্সিজেনসহ ১০ বেডের সাময়িক ব্যবস্থা করতে। টাকা যা লাগে আমি দেব।

অশ্রুসিক্ত চোখে সংসদ সদস্য একরাম আরও বলেন, চারদিকে মৃ’ত্যু। প্রথমে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, এরপর সিলেটের সাবেক মেয়র চলে গেলেন। মৃ’ত্যুর মিছিল ভারী হচ্ছে। এখন আর চোখে পানি আসে না। আল্লাহ তুমি তোমার বান্দাদের জানাবে না, কবে এই মৃ’ত্যুর মিছিল শেষ হবে।

শেয়ার করুন !
  • 11.4K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!