নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন বন্ধ

0

সময় এখন ডেস্ক:

নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের ৩ কর্মীর দেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরা কেউই কূটনীতিবিদ নন। এরপর হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান ১০ দিনের জন্য মিশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গোটা মিশনকে স্যানিটাইজ করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে সব কর্মীর দেহে করোনা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সবাইকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আক্রা’ন্ত কর্মীরা গত কয়েকদিনে যাদের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন তাদের সবার শরীর পরীক্ষা করা হচ্ছে।

হাইকমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, মিশন বন্ধ থাকলেও প্রত্যেক কর্মী ও কূটনীতিবিদ নিজ নিজ বাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় কাজ করবেন। এই মুহূর্তে তারা কারও সঙ্গে মিলিত হবেন না। যাদের দেহে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে, তাদের কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর- তারা সবাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের নিজ নিজ বাসভবনে থাকতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশি ও ভারতীয় রেমডিসিভির: দাম ও উৎপাদনে পার্থক্য কেমন?

অবশেষে করোনার ওষুধ রেমডিসিভির তৈরির অনুমতি পেল ভারতের হেটেরো ল্যাবস (Hetero Labs)। দেশটির ড্রাগ রেগুলেটর আমেরিকা ভিত্তিক গিলিয়াড সাইন্সেস-এর উদ্ভাবিত এই ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে বলে রবিবার জানিয়েছে হেটেরো ল্যাবস।

ভারতে এই ওষুধের নাম হবে কোভিফর (Covifor) এবং ধারণা করা হচ্ছে এর মূল্য ধরা হবে প্রতি ডোজ ৫ হাজার রুপি থেকে ৬ হাজার রুপির ভেতরে। ডলারের হিসাবে ৬৬ ডলার থেকে ৭৯ ডলার।

ভারতের আরেক ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি সিচলা লিমিটেডও অনুমতি পেয়েছে। গিলিয়াড সাইন্সেস গত মাসে ভারত ও পাকিস্থানের ৫টি কোম্পানির সাথে রেমডিসিভির তৈরির জন্য চুক্তি করে।

এই চুক্তির অধীনে Jubilant Life Sciences Ltd, Cipla, Hetero Labs, Mylan NV এবং Ferozsons Laboratories Ltd রেমডিসিভির উৎপাদন এবং বিশ্বের ১২৭টি দেশে বিক্রি করতে পারবে।

বাংলাদেশে দুটি কোম্পানি বিশ্বের সর্বপ্রথম রেমডিসিভির তৈরি করে। বেক্সিমকোর তৈরি বেমসিভির এর মূল্য ৫ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি ডোজ। ট্যাক্স বাদে প্রাইভেট হাসপাতাল গুলো প্রতি ডোজ ৪ হাজার ৮০০ টাকায় কিনতে পারবে। আর এই ওষুধ এসকেএফ তৈরি করেছে রেমিভির নামে।

ভারতীয় Covifor এর মূল্য বাংলাদেশি টাকায় সর্বনিম্ন ৫ হাজার ৮০০ টাকা হতে সর্বোচ্চ ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশ ভারতের থেকে পিছিয়ে থাকলেও ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে আছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ওষুধের সুনাম অনেক। বছরে বাংলাদেশ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ওষুধ রপ্তানি করে।

শেয়ার করুন !
  • 188
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!