উন্মুক্ত স্থানে আর কোনো ময়লা-আবর্জনা থাকবে না: মেয়র তাপস

0

সময় এখন ডেস্ক:

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ব’র্জ্য সংগ্রহকারীরা এখন থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ব’র্জ্য সংগ্রহ করে রাত ১০টার মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন ব’র্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে (এসটিএস) নিয়ে আসবে। ফলে রাস্তা বা উন্মুক্ত স্থানে আর কোনো ময়লা থাকবে না।

আজ বুধবার ডিএসসিসির ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামাবাগে এসটিএস কেন্দ্র স্থাপনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, রাত ১০টার মধ্যে ব’র্জ্য এসটিএসে চলে আসবে। এসটিএস থেকে ময়লা-আবর্জনা আমরা মাতুয়াইলের ভাগাড়ে নিয়ে যাব। সুতরাং রাস্তায় ও উন্মুক্ত স্থানে আমরা আর কোনো ময়লা বরদাশত করব না, রাস্তায়-উন্মুক্ত স্থানে কোনো ব’র্জ্য থাকবে না।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের ব’র্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ঢেলে সাজিয়েছি। এখন থেকে যে ওয়ার্ডগুলোতে ব’র্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নেই সেই ওয়ার্ডগুলোতেও আমরা ব’র্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করব। আজ ২৩ নম্বর ওয়ার্ড ও ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে আমরা এসটিএস নির্মাণ কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলাম। ডিএসসিসির ৭৫টা ওয়ার্ডে আমরা একটি করে এসটিএস নির্মাণ করব।

পরে ডিএসসিসি তিনি মালিবাগে (১২ নম্বর ওয়ার্ড) নির্মিতব্য এসটিএস পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক, প্রধান ব’র্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. বদরুল আমিন এবং ২৩, ২৯, ৫৬, ১২ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

আরও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন

সরকার আরও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। নতুন এই বিশ্ববিদ্যায়লকে নিয়ে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা হলো ১০৬টি।

রাজধানীর উত্তরায় ‘মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও পরিচালনার অনুমোদন দিয়ে আদেশ জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

গত ১৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম শরীফকে উত্তরায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। অধ্যাপক রফিকুল বর্তমানে রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের উপাচার্যের দায়িত্বে আছেন।

চিঠিতে বলা হয়, ২৩টি শর্তে নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন থাকতে হবে।

কমপক্ষে ৩টি অনুষদ এবং অনুষদগুলোর অধীনে ৬টি বিভাগ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, ছাত্রছাত্রীদের জন্য কমনরুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো রাখতে হবে।

প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে তা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে অনুমোদন নিতে হবে বলেও আদেশে বলা হয়েছে।

২০১৪ সালে ‘মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য উদ্যোক্তরা সরকারের কাছে আবেদন করেন।

শেয়ার করুন !
  • 1.4K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!