বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিয়ে এলো ‘মিস্টার বিন চেকলিস্ট’

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে মিস্টার বিনকে প্রচারণায় নামিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এই কমেডি স্টারকে দেখা যাবে হাত ধোয়া, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ প্রতিবেশীদের প্রতি সহানুভূতির বার্তা দিতে। ফেসবুক, টুইটার, স্ন্যাপচ্যাটের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য এরই মধ্যে জনসচেতনতামূলক ভিডিওটি প্রকাশ করেছে ডব্লিউএইচও। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিস্টার বিন চেকলিস্ট’।

ডব্লিউএইচও গতকাল সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, প্রজেক্ট এভরিওয়ান, টাইগার আসপেক্ট প্রডাকশনস এবং ডব্লিউএইচও মিলে প্রচারণার এই কর্মসূচি শুরু করেছে। এতে মিস্টার বিনের কার্টুন স্কেচকে কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষায় করণীয়গুলো তুলে ধরতে দেখা যাবে।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক ড. টেড্রস অ্যাডহানম ঘেব্রেয়েসুস বলেছেন, কোভিড-১৯ মানবজীবনের সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলেছে। বিশ্বজুড়ে সবাইকে জীবনরক্ষাকারী তথ্য জানাতে আমাদের সব মাধ্যম কাজে লাগাতে হবে। শারীরিক দূরত্ব, পরিচ্ছন্নতা ও উপসর্গ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রচারে কণ্ঠ ও মেধা দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য আমি মিস্টার বিনের নেপথ্য দলের প্রতি কৃতজ্ঞ।

জানা গেছে, জনসচেতনতামূলক ভিডিওটিতে মিস্টার বিনের (আসল নাম রোয়ান অ্যাটকিনসন) কণ্ঠ শোনা যাবে। ‘প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মধ্যে শিশু’— এই ভাবনা থেকে মিস্টার বিন চরিত্রটি সৃষ্টি হয়েছে। রোয়ান অ্যাটকিনসন যখন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে প্রচারক রিচার্ড কার্টিসের সঙ্গে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন তখন এই মিস্টার বিন চরিত্রের সৃষ্টি। এর পেছনে কাজ করেছে ‘প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মধ্যে শিশু’র উপস্থিতির ভাবনা।

এনিমেটেড সিরিজ আকারে প্রচারের আগে গত শতকের নব্বইয়ের দশকে মিস্টার বিন টেলিভিশন কমেডি হিসেবে সম্প্রচারিত হয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী এটি জনপ্রিয়তা পায়। ফেসবুকে মিস্টার বিনের ফলোয়ারের সংখ্যা ৯ কোটি ৬০ লাখ। বিশ্বব্যাপী তার ভক্ত অনেক। এ বছরই মিস্টার বিন সৃষ্টির ৩০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে।

কোভিড-১৯ নিয়ে ‘মিস্টার বিনের চেকলিস্ট’ প্রচারণা সমন্বয় করেছে রিচার্ড কার্টিসের অলাভজনক প্রতিষ্ঠান প্রজেক্ট এভরিওয়ান।

কার্টিস বলেন, মিস্টার বিনের স্কেচ নিয়ে ও কোভিড-১৯ বিষয়ক স্বাস্থ্যবার্তা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। ২০১৫ সালে ১৯৩টি দেশের নেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য, বৈ’ষম্য ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ১৭টি লক্ষ্যের বিষয়ে অঙ্গীকার করেন। সেই লক্ষ্যগুলোর ৩ নম্বরে আছে সুস্বাস্থ্য ও ভালো থাকা। তবে এটি সব বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের কেন্দ্রভাগে আছে। মিস্টার বিনকে পেয়ে আমরা সবাই আনন্দিত।

শেয়ার করুন !
  • 48
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!