রশিদ আমার চোখে তাকালে ওকে শেষ করে ফেলব: গেইল

0

স্পোর্টস ডেস্ক:

স্পিনারদের মাঝে আ’গ্রাসন দেখলে মেজাজ খারাপ হয়ে যায় ক্যারিবিয়ান দানব ক্রিস গেইলের। বিশেষ করে আফগান স্পিনার রশিদ খান তার চোখে তাকালে গেইলের মাথায় রক্ত ওঠে। তাই বছর দুয়েক আগের এক আইপিএলে গেইল তার ব্যাটিং পার্টনার লোকেশ রাহুলকে বলেছিলেন, ‘রশিদ আমার দিকে তাকালে, ওকে শেষ করে দেব।’

মায়াঙ্ক আগরওয়ালের সঙ্গে এক চ্যাট শোতে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন লোকেশ রাহুল। সেই চ্যাট শোতে গেইলও উপস্থিত ছিলেন।

২০১৮ সালের আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব বনাম সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের ম্যাচের প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, সেই আইপিএলের একটা ম্যাচের কথা মনে পড়ছে। গেইল রানের জন্য ক্ষুধার্ত ছিল। পাশাপাশি রশিদ খানের ওপর বেজায় চটে ছিল। আমাকে বলেছিল, রশিদ খান যদি আমার দিকে চোখ পাকিয়ে তেড়ে আসে, তাহলে ওকে আমি শেষ করে দেব। স্পিনাররা বড় বড় চোখ করে তেড়ে আসবে সেটা আমার একেবারে পছন্দ নয়।

সেই রাগের কারণেই কি না, সেদিনের ম্যাচে গেইল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফেলেন। ৬৩ বলে খেলেন ১০৪ রানের বিধ্বং’সী ইনিংস। রশিদ খানসহ হায়দ্রাবাদের বাকি বোলারদের ওপর ঝড় বয়ে গিয়েছিল। গেইল মেজাজে থাকলে তাকে থামানো খুবই কঠিন। তখন কোনো বোলাররাই তার সামনে দাঁড়াতে পারেন না।

রাহুল আরও বলেন, গেইলের রাগ সেবার প্রথমবার দেখেছিলাম। বারবার আমাকে বলছিল, আমাকে স্ট্রাইক দাও। আমি রশিদ খানের বল খেলতে চাই।

‘গলিতে ক্রিকেট খেলতাম, ভাবতে পারিনি এত দূর আসতে পারব’

ভারতের ওপেনার রোহিত শর্মার ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যায় শুধু ভাঙা গড়ার খেলা। অনেক ল’ড়াই করে তিনি এখন ভারতের সেরা ওপেনার। ২০০৭ সালের ২৩ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল। এরপর কেটে গেছে ১৩ বছর। ‘আনলাকি’ থার্টিন’ পার করা উপলক্ষে টুইট করেছেন রোহিত শর্মা।

অভিষেক ম্যাচে ব্যাট করা হয়নি, পরের ম্যাচে ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার ব্যাট করতে নেমেছিলেন রোহিত। বেলফাস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭ নম্বরে নেমে আউট হন মাত্র ৮ রানে! তাকে আউট করেছিলেন কিংবদন্তি অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস। সেই বছর ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে অবদান রেখে আলোচিত হন। পরের বছর অস্ট্রেলিয়ায় ভিবি সিরিজ জয়ের নেপথ্যেও রাখেন অবদান। কিন্তু ধারাবাহিকতার অভাবে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলে অ’নিয়মিত ছিলেন।

ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ওপেনার হিসেবে ২২৪ ওয়ানডে খেলে ফেলা রোহিতের পথচলা শুরু হয়। আর ফিরে তাকাতে হয়নি। গত বছর থেকে টেস্টেও ওপেনার হিসেবে দুর্দান্ত সাফল্য পাচ্ছেন।

ওয়ানডেতে ৩টি ডাবল সেঞ্চুরির এই মালিক টুইটারে লিখেছেন, অসাধারণ ১৩ বছর ও আগামীর জন্য কৃতজ্ঞ। বরিভলির গলিতে খেলতাম। সেখান থেকে কোনো দিন এই পর্যায়ে আসব ভাবিনি। স্বপ্নপূরণের মধ্য দিয়েই চলছে আমার অগ্রযাত্রা।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!