হুইপসহ ৮ এমপি দুদকের জালে

0

সময় এখন ডেস্ক:

সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীসহ ৮ জন এমপির সম্পদের অনুসন্ধান চলছে দুদকে। যাদের বেশিরভাগই সরকারদলীয়। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন বলা হয়েছে, গত বছর সেপ্টেম্বরে ক্যাসিনোবিরো’ধী অভিযানে নাম আসে ৫ জন সংসদ সদস্যের। দুদকের গোয়েন্দা দলের কাছেও তাদের বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য আসে। এরই মধ্যে তাদের নিজ নামে এবং স্ত্রী-সন্তানদের নামে বিপুল সম্পদের তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি। এরপরই জাতীয় সংসদের হুইপ চট্টগ্রামের শামসুল হক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, নারায়ণগঞ্জ-২ এর নজরুল ইসলাম বাবু, ভোলা- ৩ এর নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এবং বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথের সম্পদ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম পাপুলের অ’বৈধ সম্পদ খোঁজা শুরু করে দুদক। একই অভিযোগে পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলামকে জেরা করে দুদক।

সম্প্রতি সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী ১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরু’দ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। তার বিরু’দ্ধে সরকারি অর্থ লোপাটসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের মাধ্যমে অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক।

শুধু এই ৮ সদস্যরাই নন, তাদের স্ত্রী সন্তানদের নামেও বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউ’র কাছ থেকে বিপুল সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক।

দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, তাদের ইনকাম ট্যাক্স ফাইল সংগ্রহ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম পাপুলের মানি লন্ডারিং মামলার অনুসন্ধান কাজ প্রায় শেষের পর্যায়ে। এছাড়া প্রতিটি কেসেরই অগ্রগতি রয়েছে।

করোনায় চলে গেলেন ভাষাসৈনিক মাজহারুল ইসলাম

করোনা পজেটিভ হয়ে মা’রা গেছেন ভাষাসৈনিক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলাম। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।

বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক (জনসংযোগ) ফরিদ কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাজহারুল ইসলাম আজ সকাল ৯টায় মা’রা যান। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাকে বারডেমের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম আজীবন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অনারারি চিফ কনসালট্যান্ট ছিলেন। তিনি ১৯৫৪ সালে অনারারি হাউস সার্জন হিসেবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে কর্মজীবন শুরু করেন।

মাজহারুল ইসলামের জন্ম ১৯২৭ সালের ১ জানয়ারি টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার আগচারান গ্রামে। তিনি ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য তাকে ২০১৮ সালে একুশে পদক দেয়া হয়।

শেয়ার করুন !
  • 105
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!