ঢাকা সফরে আসছেন মোদি?

0

কূটনৈতিক ডেস্ক:

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী বছরের ২৬ মার্চ বাংলাদেশে আসতে পারেন। স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তিতে মোদিকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তিতে আগামী বছরের ২৬ মার্চ উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি আসতে পারেন।

এ ছাড়া আগামী ১৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমসে হয়রা’নির প্রতিবাদে শুল্কায়ন-পরীক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ

আমদানি পণ্য ছাড়করণের ক্ষেত্রে নানাবিধ অ’নিয়ম ও হয়রা’নির প্রতিবাদে কাস্টমস হাউসের ৩ ও ৪ নম্বর গ্রুপে শুল্কায়ন ও পরীক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীরা। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় যেমন পণ্য খালাস প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছে তেমনি রাজস্ব আয় থেকেও ব’ঞ্চিত হচ্ছেন সরকার।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল থেকে কর্মবিরতি ডেকে শুল্কায়ন ও পরীক্ষণ বন্ধ করে দেন পণ্য ছাড়করণের সঙ্গে জড়িত সিঅ্যান্ডএফ মালিক ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কামাল হোসেন জানান, পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে কাস্টমস কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে হয়রা’নি ও অ’নিয়ম করে আসছে। এতে যেমন ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিকভাবে লোকসান গুনছেন তেমনি দ্রুত পণ্য খালাস প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছে। বারবার এ অভিযোগ দিয়েও সমাধান আসেনি। অবশেষে প্রতিবাদ জানিয়ে শুল্কায়ন ও পরীক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের লক্ষে ইচ্ছামতো পণ্যের শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণ করায় আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে লসের মুখে পড়ছেন। এ ছাড়া চাহিদামতো ঘুষ না দিলেও নানা অজুহাত তৈরি করে দিনের পর দিন ফাইল আটকে রাখেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে হয়রা’নির কোনো শেষ নাই। পণ্য বন্দরে প্রবেশ থেকে শুরু করে পরীক্ষণ ও শুল্কায়নে নানাবিধ ও হয়রা’নির শি’কার হতে হচ্ছে। আমদানিকৃত একই পণ্য ৩ বার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। পরীক্ষণ করে রিপোর্ট নিতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১৫ দিন। এরপর শুরু হয় শুল্কায়নে বি’ড়ম্বনা। শুল্কায়নে মানা হচ্ছে না পূর্বের কোনো রেফারেন্স।

কাস্টমস কর্মকর্তারা নিজেদের খেয়াল-খুশিমতো মূল্য নির্ধারণ করে অ্যাসেসমেন্ট করার লোকসান ও হয়রা’নির কারণে আমদানিকারকরা এ বন্দর ছেড়ে অন্য বন্দর দিয়ে আমদানি করছেন। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে সরকার রাজস্ব আদায় থেকে ব’ঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, কাস্টমসের কিছু কর্মকর্তা হয়তো ভালোভাবে কাজ বোঝেন না বলে তাতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া অ’বৈধ সুবিধা ব’ঞ্চিত হয়েও একশ্রেণির ব্যবসায়ীরা এ কর্মবিরতিতে যোগ দিয়েছেন। তবে বাণিজ্য সম্প্রসারণের স্বার্থে চলমান সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন !
  • 34
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply