বড় ধরণের পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে জামায়াত-শিবির

0

বিশেষ প্রতিবেদন:

করোনাকালে দেশজুড়ে সামাজিক অ’স্থিরতা এবং পুলিশ বাহিনী চাপে থাকার সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে মাঠে নেমেছে জামায়াত-শিবির। সারাদেশে সন্ত্রা’স, না’শকতার মাধ্যমে অ’স্থিরতা সৃষ্টির এক পরিকল্পনা নিয়ে তারা এগুচ্ছে। জামায়াত-শিবির একদিকে বিভিন্ন জ’ঙ্গি সংগঠন ও নেটওয়ার্কগুলোকে তৎপর করছে। অন্যদিকে সংগঠন পুনঃগঠন ও ঝটিকা কর্মসূচী পালন করছে। একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা গেছে।

গত সেপ্টেম্বরে জামায়াতের মজলিশে শুরার এক ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের আমীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে তিন দফা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত গুলো হলো:

১. প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত জনসংযোগ বাড়াতে হবে। ২. সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতি এসব তথ্য সংগ্রহ করে জনগণের মধ্যে প্রচার করতে হবে। ৩. প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে।

ঐ বৈঠকের কার্য-বিবরণী জেলা পর্যায় পর্যন্ত পাঠানো হয়েছে। এরপর থেকেই জামায়াত সারাদেশেই প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ঝটিকা মিছিল, কর্মীসভা করছে। প্রকাশ্য এই তৎপরতার বাইরে জামায়াতের ৫ নেতাকে বিভিন্ন জ’ঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গত কয়েক বছরে আইন শৃংখলা বাহিনীর জ’ঙ্গিবিরো’ধী লাগাতার অভিযানের কারণে অধিকাংশ নিষি’দ্ধ সংগঠনের নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে গেছে। অনেক সংগঠন নি’ষ্ক্রিয় হয়েছে। এগুলোকে চাঙ্গা করতে চায় জামায়াত-শিবির।

সে লক্ষ্যে এসব সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জামায়াত নেতারা যোগাযোগ করছে। জামায়াতের লক্ষ্য দুটি- প্রথমত, রাজনৈতিক কর্মকান্ড ও সাংগঠনিক তৎপরতার মাধ্যমে জামায়াতকে শক্তিশালী করা। দ্বিতীয়ত, জ’ঙ্গি ও সন্ত্রা’সী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে দেশে একটি অ’স্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা।

সেপ্টেম্বরের সেই শুরা সভায় বলা হয়েছে, নানা কারণে এখন সরকার চাপে আছে। এই চাপ বাড়াতে হবে। , দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, দুর্নীতি ইত্যাদি কারণে জনগণ এই সরকারের ওপর আস্থা হারাচ্ছে।

কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, সিনহা হ’ত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন ঘটনায় এখন আইন শৃংখলা বাহিনী চাপের মধ্যে আছে। কাজেই এখন জামায়াতের বিরু’দ্ধে অভিযান স্তিমিত। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে এখন জামায়াত গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারা নানা ইস্যু সামাল দিতেই হিমশিম খাচ্ছে। এখনই সময় বিভিন্ন ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে সরকার বিরো’ধী নৈ’রাজ্য সৃষ্টি করার।

তবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, স্বাধীনতাবিরো’ধী শক্তির অপ’তৎপরতা সম্পর্কে আমরা সচেতন এবং সজাগ। এদের দূরভিসন্ধি কখনও সফল হবে না। বাংলাইনসাইডার।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!