ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন কর্মীদের যে ৩টি কাজের শপথ করালেন

0

সময় এখন ডেস্ক:

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে জয়যুক্ত করতে সকল নেতাকর্মীকে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। সোমবার বিকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত এক কর্মীসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

কর্মীসভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন নৌকা মার্কাকে বিপুল ভোটে জেতানোর জন্য প্রত্যেক নেতাকর্মীকে ৩ দফা কাজের শপথ করান।

কাজগুলো হল:

১. দিনে অন্তত ১ ঘণ্টা অনলাইনে সময় দেয়া,

২. মোবাইলে মাধ্যমে নিজ এলাকার ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং

৩. নির্বাচনের আগের ৫ দিন নৌকার পক্ষে কাজ করা।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এসএম আবু সুফিয়ান চঞ্চলের সঞ্চালনায় কর্মীসভায় সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারাসহ শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

ছাত্রলীগের প্রতি ভালোবাসা আর স্বপ্নের কথা বলে টিভিতে কাঁদলেন সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী

ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদির উপস্থাপনায় বেসরকারি টেলিভিশন মাইটিভির ‘তৌহিদ আফ্রিদি শো’তে অতিথি হিসেবে গত সেপ্টেম্বরে এসেছিলেন গোলাম রাব্বানী। সেখানে রাজনীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে রাব্বানীকে উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, ‘আপনার ভালবাসার মানুষ কে?’

জবাবে রাব্বানী বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে ভালবাসার মানুষ ছিলেন আমার মা। তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করার ৮ দিন আগে মা চিরদিনের মত চলে গেছেন।’

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার খবর শুনলে সব থেকে মা বেশি খুশি হতেন বলেও জানান রাব্বানী। বলেন, ‘আমার মাও ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। ছাত্রলীগ আমাদের অনেক আবেগের সংগঠন। কারণ, অনেক কষ্টে শ্রম দিয়ে ছাত্রলীগ দাঁড় করিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এবার কমিটি দেয়ার সময়ও তার চোখে কতটা প্রত্যাশা দেখেছি। সাধারণ মানুষও ছাত্রলীগের প্রতি অনেক প্রত্যাশা। যার প্রতি প্রত্যাশা বেশি তার প্রতি অভিযোগ, অনুযোগও বেশি থাকবে এটাই স্বাভাবিক।’

এ কথা বলতে বলতেই একপর্যায়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাব্বানী। এসময় তাকে হাত দিয়ে চোখের পানি মুছতেও দেখা যায়। এসময় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক আসন থেকে উঠে গিয়ে তাকে সান্ত্বনা দেন।

ছাত্র রাজনীতি করার জন্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার কথা জানিয়ে রাব্বানী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তিনি আমার বিভাগের ছাত্র ছিলেন এটা চিন্তা করলে গর্বে বুকটা ভরে উঠে। আমার ক্যারিয়ার, ছাত্রজীবন, যৌবন সব ছাত্রলীগকে ঘিরে। আমার মা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন এর থেকে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে? আমার বিসিএস হয়েছে, জুডিশিয়ারিতে হয়েছে কিন্তু আমার মা বলছে তুমি ছাত্রলীগ করো, শেখ হাসিনার জন্য কাজ করো এটাই আমার প্রত্যাশা। আমার নানার স্বপ্ন ছিল, আমরা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে চলি। নানা মারা যাওয়ার সময় আম্মুকে বলে গেছেন। আমি সেটা ধারণ করে চলছি। যাতে আমার কোনো কাজে আচরণে যাতে আমার মা, নানার স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ না হয় সেই চেষ্টা করি।’

ছাত্রলীগকে নিয়ে স্বপ্নের কথা জানিয়ে রাব্বানী বলেন, ‘একজন কর্মীকে কোনো মুরুব্বি দেখলে মাথায় হাত বুলিয়ে বলবে বাবা বেঁচে থাকো। আমি ছাত্রলীগকে নিয়ে তেমন স্বপ্ন দেখি। যা কিছু সত্য, যা কিছু সুন্দর, পজিটিভ সৃষ্টিশীল, মননশীল তার সঙ্গে থাকবে ছাত্রলীগ।’

শেয়ার করুন !
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!