ব্রাসিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত

0

প্রবাস ডেস্ক:

ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়ার’ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্মত হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পর্তুগিজ ভাষায় অনুবাদ করবেন যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রেসে মুদ্রিত হবে।

আজ মঙ্গলবার ব্রাজিলের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্রাজিলে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জুলফিকার রহমান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর (উপাচার্য) ড. মার্সিয়া আবরাও মৌরার মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ দুটি জনকূটনীতি-উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ল্যাটিন আমেরিকায় বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং আরো এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়।

ব্রাসিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিতব্য বঙ্গবন্ধু চেয়ারের আওতায় মূলত বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন ও তার অর্জনসমূহ নিয়ে গবেষণা করা হবে।

গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে মাস্টারপ্ল্যান তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গ্রামের সড়ক ও অবকাঠামোর একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় একটি প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনার সময় তিনি এই নির্দেশ দেন।

প্রকল্পটি হলো ‘গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প : বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের প্রথম সংশোধন অনুমোদন দেওয়া হয় সভায়। সংশোধনীতে প্রকল্পের খরচ ৩০৫ কোটি বাড়িয়ে ৯৫০ কোটি থেকে ১ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ওই সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আসাদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরার সময় এ তথ্য জানান।

মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, আমরা অনেক কাজ করছি গ্রামীণ রাস্তা, গ্রামীণ অবকাঠামোর। কাজগুলো সত্যিকার হচ্ছে কি না, কোয়ালিটিফুল (মানসম্মত) হচ্ছে কি না সেগুলো ভালো করে পরখ করতে হবে। সেখানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেছেন, মাল্টিপ্লেয়ার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করেছেন।

তারপরও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কাজের কোয়ালিটি যেন ঠিক থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। রাস্তায় যেন পানি না জমে। কারণ রাস্তায় পানি জমলে সেটা ন’ষ্ট হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী আরেকটা মাস্টারপ্ল্যান করার কথা বলেছেন, কোন রাস্তা, কত রাস্তা, কোথায় করা হবে সে বিষয়ে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নেতৃত্বে এই মাস্টার প্ল্যান তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান সচিব। তিনি জানান, সড়ক, ত্রাণসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এ কাজে অংশ নেবে। ‘ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও বন্যায় ক্ষ’তিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন’ প্রকল্পেরও অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৯০৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

এ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে আসাদুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তাগুলো খুবই ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়েছে। অতি দ্রুত এগুলো করতে হবে। তবে অন্যান্য মন্ত্রণালয় যারা রাস্তা করে বা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজটা করতে হবে। যাতে কোনো ওভারলেপিং না হয়।

কোন কাজটুকু করতে হবে, কত কাজ বাকি থাকছে, কোন মন্ত্রণালয় করলে ভালো হয় এ গুলো সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। আগামী বর্ষা আসার আগেই যেন মূল কাজগুলো হয়ে যায়। তাতে সাশ্রয়ী হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন !
  • 44
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!