বাইডেনের ক্ষমতা গ্রহণ, নতুন মিশনে গওহর রিজভী?

0

কূটনৈতিক ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ ড. গওহর রিজভী। দীর্ঘদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা। তবে খুব একটা আলোচনায় থাকতে পছন্দ করেন না। নীরবে নিভৃতে কাজ করেন।

কিন্তু আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সং’কটে এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজে তিনিই শেখ হাসিনার আস্থাভাজন ব্যক্তি। প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দায়িত্ব তুলে দেন ড. গওহর রিজভীকে। ২০১৪ সালে যখন বিএনপি ভোট বর্জন করলো। তখন আন্তর্জাতিক মহল বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো নির্বাচনের যৌক্তিকতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললো। এক তরফা নির্বাচন গণতন্ত্রকে কী দেবে, সেই বিষয়ে তারা কথা বললো।

তখন ড. গওহর রিজভী একের পর এক বিভিন্ন দূতাবাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং রাষ্ট্রদূতদের সাথে কথা বললেন। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বললেন। যাদের কারণে ২০১৪’র নির্বাচন শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সমর্থন এবং সহযোগিতা পেয়েছিলো তাদের মধ্যে ড. গওহর রিজভী অন্যতম।

ঐ নির্বাচনের পর ভারতেও ক্ষমতার পালাবদল হলো। ড. গওহর রিজভীর বিশিষ্ট বন্ধু ড. মনমোহন সিংহ প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে বিদায় নিলেন। ক্ষমতায় এলো নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। বিএনপি উল্লাসে ফেটে পড়লো। বিএনপিতে শ্লোগান উঠলো ‘কংগ্রেস যে পথে আওয়ামী লীগ যাবে সেই পথে।’

ক’ট্টর মৌলবাদী বিজেপি আওয়ামী লীগকে পছন্দ করবে না- কূটনীতিক মহল থেকেও এমন প্রশ্ন উঠলো। আবার ডাক পড়লো ড. গওহর রিজভীর। হাভার্ড থেকে গুজরাটে সরকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার এক কর্মসূচীতে গিয়েছিলেন তিনি। তখন মোদী গুজরাটের মূখ্যমন্ত্রী। সেই সূত্র ধরেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অটুট রাখার প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর পাশে থেকে কাজ করলেন ড. গওহর রিজভী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। জো বাইডেন ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন কালই। নতুন সরকার এলেই কিছু ব্যক্তি তৎপর হয়। বাংলাদেশ নিয়ে নতুন সরকারের কান ভারীর এক প্রবণতা দীর্ঘদিনের। আর এ কারণেই সম্ভবত ড. গওহর রিজভীকে নতুন এসাইনমেন্ট দিচ্ছেন।

বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কটা শুরু থেকেই মধুর-বন্ধুত্বপূর্ণ করতে চায় বাংলাদেশ সরকার। আর সেজন্য নেপথ্যে থেকে কাজ শুরু করেছেন ড. গওহর রিজভী।

শেয়ার করুন !
  • 268
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply