মোদী একবর্ণ ইংরেজিও বলতে পারেন না- মমতার ব্যাঙ্গ

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদিয়াতে প্রশাসনিক সভায় অংশ নিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) একের পর এক বিষয়ে নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে একহাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের স্বাস্থ্যপ্রকল্প ‌‘আয়ুষ্মান ভারত’ নিয়ে যেমন বললেন, তেমনই মুখ খুললেন এমন একটি বিষয় নিয়ে, যা নিয়ে এর আগে তেমনভাবে কথা বলেননি।

মমতা বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এতসব বক্তৃতা দেন। কিন্তু উনি তো একবর্ণ ইংরেজিও বলতে পারেন না। তাই বক্তৃতা দেওয়ার সময় টেলিপ্রম্পটার দেখে ইংরেজি বলেন। মিডিয়া এটা জানে ভালোমতোই। আমরা জানি। আপনি স্ক্রিনের দিকে তাকাচ্ছেন, বক্তব্যটা দেখছেন আর গড়গড় করে পরে যাচ্ছেন… এটাই টেলিপ্রম্পটার। আমরা কিন্তু এইসব ব্যবহার করি না।

‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পটিকে গ্রহণ করতে এর আগেই ৫টি রাজ্য নাকচ করে দিয়েছে তাদের রাজ্যের কাছে আরও উন্নতমানের স্বাস্থ্যপ্রকল্প রয়েছে, এই যুক্তিতে। মমতার গলাতেও এখন ওইসব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরই প্রতিধ্বনি। তিনি বলেন, আমাদের আরোগ্যশ্রী রয়েছে। যা কোনও অংশে কম নয়।

‘আয়ুষ্মান প্রকল্প’র ব্যাপারে বারবার নিমরাজি হওয়ার কারণে, রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতার ওপর ভালোই চটেছেন মোদী।

সেনাবাহিনীতে সমকামিদের জায়গা নেই: ভারতীয় সেনাপ্রধান

শীর্ষ আদালত স্বীকৃতি দিলেও সেনাবাহিনীতে সমকামিদের কোনও জায়গা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।

ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, শীর্ষ আদালত যতই মান্যতা দিক সেনাবাহিনীতে তা অপরাধ বলেই গণ্য হবে। যেভাবে সেনাবাহিনীতে ব্যাভিচারের কোনও জায়গা নেই এবং সেনা আইন অনুযায়ী সেটা অপরাধ বলেই বিবেচিত হয়। সমকামের ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে।

তিনি জানান, যে জওয়ানরা সীমান্তে রয়েছেন তারা কোনওভাবেই যাতে পরিবারকে নিয়ে চিন্তিত না থাকেন সেটা সবার আগে নজরে রাখতে হয়। সে কারণেই কোনও রকম ব্যভিচার এখানে বরদাস্ত করা হয়না। সমকামি অথবা রূপান্তকামীদের জন্য এই নিয়ম কার্যকর করা হবে।

একই সঙ্গে জওয়ানদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে রক্ষণশীল হতে হবে বলে জানিয়েছেন বিপিন রাওয়াত। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়তো করা হবে না, তবে জওয়ানরা যাতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারে সতর্ক হন সেদিকে নজর রাখা হবে। গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া। সে জন্য জওয়ানদের সচেতনও করা হচ্ছে।

কারণ গত কয়েক বছরে ভারতীয় জওয়ানদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্র্যাপে ফেলার প্রবণতা বেড়েছে। তার মোকাবিলাতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত।

শেয়ার করুন !
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply