এতিমের নামে অর্থ আয়, কেউ জানে না কে খায়!

0

সময় এখন ডেস্ক:

বাড্ডা নতুন বাজার মোড়ের পশ্চিম পাশে টেবিল পেতে এতিমখানা ও মাদ্রাসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছেন পঞ্চাশোর্ধ জয়নাল। টেবিলে রাখা মাইকে এতিমদের ভরন পোষণের জন্যে অর্থ দানের সওয়াব বর্ণনা করছেন তিনি।

আরেকজন ৩০ বছরের যুবক আল-আমিন, নতুন বাজার সিগন্যালে গাড়ি জ্যামে পড়লেই দৌড়ে যাচ্ছেন। প্রতি জ্যামেই কিছু না কিছু দান পাচ্ছেন যুবক।

দু’জনেরই পরনে জীর্ণ পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি। এ দুজনের দেখা গেলো নতুন বাজার এলাকায়। মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর জন্যে টাকা তুলছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহাখালী দারুল উলুম হামিদিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোডিংয়ের শিক্ষার্থী ও এতিমদের দ্বীনি শিক্ষা প্রদানের ব্যায়ভার ওঠাচ্ছেন তারা।

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টাকা তোলেন দু’জন। তবে প্রতিদিন কত টাকা ওঠে তা জানাতে রাজি হননি কেউ-ই। দুপুরে পালা বদল হয় তাদের।

টেবিলের পাশের এক টঙ দোকানদারের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, আজ প্রায় ১০/১২ বছর ধরে এখানে এতিমখানার জন্যে টাকা তোলা হচ্ছে। তবে সবসময় জয়নাল বা আল আমিন থাকেন না। অনেক সময় ডিউটি পরিবর্তন হয়।

নতুন বাজার ছাড়াও রাজধানীর আরো কয়েকটি স্পট থেকে টাকা তোলা হয় এই মাদ্রাসার নামে। নতুন বাজার থেকে প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা ওঠানো হয় বলে ধারণা এই দোকানির।

আশপাশের আরও কয়েকজ দোকানদার জানান, সকালে মাদ্রাসার জন্যে যারা টাকা ওঠান, তারা প্রথমে নিজেদের পকেট থেকে কিছু টাকা টেবিলে ইটের টুকরো দিয়ে চাপা দিয়ে রাখেন। এর ফলে মানুষ ভাবে কয়েকজন এ পর্যন্ত দান করেছেন এবং নিজেরাও উৎসাহী হন দানে।

দেখা গেল, এ সিগন্যালে অনেক অসহায় ভিক্ষুকও থাকেন। কিন্তু মানুষ ভিক্ষুকদের চেয়ে এতিমখানাতেই দান করেন বেশি। কারণ, আল্লাহর ঘরে দান করলে বেহেশ্‌ত লাভের পথ সুগম হয় বলে মাইকে বয়ান করছেন জয়নাল।

সারাদিন পরিশ্রমের বদলে আপনারা কি পান?- জানতে চাইলে জয়নাল বলেন, আমরা মাদ্রাসারই লোক। এমন দায়সারা গোছের উত্তরে সন্তুষ্ট না হয়ে আরও জানতে চাইলে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, আপনার কী দরকার?

রিসিটে উল্লেখ করা ঠিকানা অনুযায়ী মহাখালীতে আইসিডিডিআরবি হাসপাতালের পার্শ্বগলির শেষ মাথায় ক-১১১/৩, মহাখালী দক্ষিণপাড়ায় বাইতুল আবরার জামে মসজিদের পাশেই অবস্থিত দারুল উলুম হামিদিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে ছোট পরিসরে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হলেও এখন অনেক বড় হয়েছে। তবে এতিমখানা বলা হলেও এখানে এতিমের সংখ্যা মাত্র ২/৩ জন। তবে সব মিলিয়ে শিক্ষার্থী ১৫ জন হবে। খোঁজ নিতেই পার্শ্ববর্তীরা জানালেন, মাদ্রাসায় ৬ থেকে ৭ জন শিক্ষক রয়েছেন।

এই মাদ্রাসার ৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী রকিবুল জানায়, এখানে নুরানী পড়ানো হয়। বড়দের কোরআন পড়ানো হয়। মাদ্রাসায় ক’জন পড়ে- জানতে চাইলে রকিবুল জানায়, সব মিলে ১০/১১ জন। তবে এখন কেউই নাই।

যদিও আবেদিন নামের একজন তত্ত্বাবধায়ক দাবি করেন শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

অভিভাবক সেজে মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মওলানা হাফেজ ক্বারী মুজিবুর রহমান ফরাজী, পীরসাহেব সূর্যপুর এর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এখানে এতিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ থেকে ৭ জন। তবে তাদের চেয়েও অভাবী শিক্ষার্থী রয়েছে। যেমন, মা-বাবা ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে, জগতে আর কেউ নেই।

মওলানা ফরাজী জানান, মানুষের দানেই চলছে এ এতিমখানা। এখানে ৩ বছর মেয়াদী আন্তর্জাতিক মানের হেফজ বিভাগ রয়েছে। এছাড়াও ১ বছর মেয়াদী নূরানী মক্তব বিভাগ, নুরানী পদ্ধতিতে তাজবিদসহ নাজরানা পূর্ণ কোরআন খতম করা হয়।

ফরাজী আরও জানান, এ মাদ্রাসায় নামাজ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় সুরা ও ফজিলতের বড় ৫টি সুরা হিফজ করানো হয়। বিভিন্ন প্রকারের ৪০টি হাদিস ও নামাজের ১৬০টি মাসয়ালা শিক্ষা দেওয়া হয়। এছাড়াও বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা পড়ানো হয়।

বোর্ডের নাম কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মাদ্রাসা বোর্ড। মাদ্রাসা বোর্ডের সিলেবাসে ধর্মীয় বই ছাড়াও অন্যান্য বই রয়েছে।“

কবে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে অনুমতি নিয়েছেন জানতে চাইলে “তারিখটা সঠিক মনে নাই” বলে প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি।

এতিমখানাগুলোকে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে সাহায্য করা হয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে এখানকার এতিমরা সে অর্থ পায় কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ভাই এগুলো চেইনের ব্যাপার। যার চেইন স্ট্রং সে এসব সাহায্য পায়।”

সাহায্যের জন্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরে রেজিস্ট্রেশন ও আবেদন করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ভাই এগুলো নিয়ে আবার পরে কথা বলব।”

ফরাজী জানান, তিনি বেশ ক’বছর আগে সৌদি আরব গিয়েছিলেন, সেখানে মসজিদের ইমাম ছিলেন। দেশে ফিরে এসে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে দ্বীন মোহাম্মদ কলোনি মসজিদে বেশ কিছুদিন ইমামতি করেন।

পরে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মহাখালীতে এ মাদ্রাসা স্থাপন করেন। মাদ্রাসার পাশেই তার নিজের আবাস। মাদ্রাসার সবাই মওলানা ফরাজীকে বড় হুজুর বলে সম্বোধন করেন।

এত বিস্তারিত জানতে চাইলে সন্দেহ হয় ফরাজীর, তিনি পাল্টা প্রশ্ন শুরু করলে বেরিয়ে আসেন অভিভাক সাজা প্রতিবেদক।

দুদিন পর আরেক সকালে মওলানা ফরাজীকে ফোন করে নতুন বাজারের টাকা ওঠানো বৃদ্ধের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঠিক বলতে পারবো না পরশু ওখানে কে ছিলেন।

এই মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে শহরের আর কোন কোন স্থান থেকে টাকা ওঠানো হয় এবং একটি জায়গা থেকে আনুমানিক কত টাকা ওঠে- জানতে চাইলে এড়িয়ে যান তিনি।

জয়নালের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে “আপনার এতিমখানায় তো কোন নির্মাণ বা সংস্কার কাজ হচ্ছে না, তাহলে উন্নয়নের কথা বলে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে কেন?” জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জয়নাল হুজুর বাড়ি গেছেন।”

ফরাজী বলেন, “আপনার আর এখানে আসার দরকার নেই, আমি বিকেলে আপনাকে ফোন দিয়ে দেখা করব।”

পরদিন দেখা যায় মহাখালী সিগন্যালের পূর্ব পাশে টেবিল পেতে জামিয়া ইসলামিয়া ইব্রাহামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জন্য মাইকে দান করার আহবান জানাচ্ছেন মোট ৪ জন। এদের ২ জন বৃদ্ধ, ২ জন তরুণ। এখানেও নতুন বাজারের মতো একই চিত্র, টেবিলে সাদা কাপড় বিছানো, ইটের টুকরো চাপা দেওয়া কিছু টাকা, মাইকে বয়ান করছেন বৃদ্ধ।

মাদ্রাসা ও এতিমখানার দেওয়াল ঘেঁষেই টাকা তোলার টেবিল বসানো হয়েছে। এ প্রতিবেদক ১০ টাকা দান করে মাদ্রাসা ও এতিমখানার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে এক বৃদ্ধ বলেন, আমরা এ ব্যাপারে জানি না।

আপনারা মাদ্রাসার কী কাজ করেন- জানতে চাইলে চুপ থাকেন দু’জনই।

এক তরুণ জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি থেকে টাকা এনে টেবিলে রাখলে এক বৃদ্ধ এ প্রতিবেদককে দেখিয়ে বলেন, মাদ্রাসায় হয়তো সাহায্য করবেন উনি। ভেতরে কথা বলতে নিয়ে যান।

কিন্তু এতিমখানায় গিয়ে দ্বায়িত্বশীল কোন ব্যক্তিকে পাওয়া যায় না।

মো. হানিফ নামের ওই তরুণের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে প্রায় ২শ’ এর ওপর শিক্ষার্থী রয়েছে। অনেক পুরনো মাদ্রাসা ও এতিমখানা এটি।

আপনার সঙ্গে এ এতিমখানার সম্পর্ক কী- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি আমার নাম্বারটা রাখেন, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলেই হবে।

আপনি কি এখানকার পাশ করা শিক্ষার্থী- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানকারই লোক, আপনি আমাকে ফোন দিয়েন।

এরপরই জানতে চান, কি পরিমাণ অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে? আমাকে ফোন দিয়ে আমার কাছে টাকা দিয়ে গেলেই হবে, আমি রিসিট দিয়ে দিব।

এতিমখানার আশপাশের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক পুরনো এ এতিমখানা। মাদ্রাসা ও উন্নয়নের কথা বলে ঠিক কবে বা কোন বছর থেকে টাকা ওঠানো হচ্ছে, তা নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারেননি।

তবে অনেক বছর ধরেই এর জন্য টাকা ওঠানো দেখছেন তারা। প্রতিদিন কমপক্ষে হাজার পাঁচেক করে টাকা ওঠে এখান থেকে। অনেক হৃদয়বান মানুষ আরও বেশি টাকা দেন। কেউ কেউ চালের বস্তাও পাঠিয়ে দেন।

মাদ্রাসা পরিচালনা এবং এতিমদের পড়াশোনা ও খাওয়াদাওয়ার পেছনেই এসব অর্থ ব্যয় হচ্ছে বলে বিশ্বাস তাদের।

এবার যাওয়া হয় জামিয়া ইসলামিয়া ইব্রাহামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায়। ফোন করে গেলেও তত্ত্বাবধায়ক আলহাজ্ব হাজী ইমতিয়াজকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবর্তে পাওয়া যায় খাদেম বেলালকে।

ফোনে বেলাল জানান, এখানে হাফেজি পড়ানো হয়। সব ধরনের ইসলামি শিক্ষা দেওয়া হয়।

বাংলা, ইংরেজী পড়ানো হয় কি না জানতে চাইলে তিনি উত্তর দেন, বড় হুজুর জানেন।

এতিমের সংখ্যা জানতে চাইলে এতিমখানার ক্যাশিয়ার মতিউর প্রথমে বলেন, এখানে তেমন এতিম নেই।

পরমুহূর্তেই প্রতিবেদকের পরিচয় পেয়ে বলেন, ২শ’ এর মতো এতিম রয়েছে। তবে দরিদ্র, অনাথ এতিম মিলিয়ে এ সংখ্যা ৪শ’ এর ওপরে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে এতিমদের জন্যে মাসিক বরাদ্দ পান কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বড় হুজুর জানেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধন নেওয়া হয়েছে কি না তারও কোন উত্তর দিতে পারেননি মতিউর।

রাস্তা থেকে প্রতিদিন কত টাকা আয় আসে এবং কী ধরনের উন্নয়ন হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো দিয়ে আপনি কি করবেন? আপনি বড় হুজুর এলে ফোন দিয়েন।

এ কথা বলেই ফোন রেখে দেন মতিউর।

এভাবে রাস্তায় টেবিল বসিয়ে, মাইকে বয়ান করে ও রিসিট দিয়ে এতিমখানা ও মাদ্রাসার কথা বলে টাকা ওঠানোর বিষয়টা পুরোটাই ঘোলাটে। এই অর্থের আয়-ব্যয়ের কোনো হদিস নেই, বরং এই টাকা আদায় যেন এক রমরমা ব্যবসা। যাতে পুঁজি মাদ্রাসা বা এতিমখানার সাইনবোর্ড এবং কিছু দরিদ্র ছাত্র।

নতুন বাজারের পূর্ব পাশের এক দোকানদার কামাল মিয়া বলেন, মহাখালী দারুল উলুম হামিদিয়া মাদ্রাসা- এতিমখানার জন্যে টাকা ওঠানো হচ্ছে নতুন বাজারে। অনেক সময় গরমে-জ্যামে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা হয়। এ সময় দানের জন্যে হাত পাতেন হুজুরেরা। দান করলে সওয়াব হব- বলে পথচারীর কাছে টাকা চান তারা। তাদের আহবানে সাড়া দিয়ে দরিদ্র বা দিনমজুর পথচারী পকেটে ১০ টাকা থাকলে সওয়াবের আশায় ৫ টাকাই দিয়ে দেন।

প্রতিনিয়ত এতিমখানা ও মাদ্রাসার জন্যে এভাবে রাস্তা থেকে দান চাওয়া কতটুকু যৌক্তিক জানতে চাইলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রোগ্রাম) মোয়াজ্জেম হোসেন সোমবার বলেন, এতিমখানার বিষয়টি সমাজ সেবা অধিদপ্তর দেখে, মাদ্রাসারটি নয়। এতিমদের জন্যে সরকার থেকে প্রতি মাসে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

যেসব এতিমখানার নিবন্ধন রয়েছে, তারা বছরে দু’বার এক সঙ্গে ৬ মাসের টাকা নিয়ে যান। আগে এ অর্থের পরিমাণ ছিল ৭২০ টাকা। এখন ১ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়া এতিমখানার জন্যেও সরকারের আলাদা বরাদ্দ রয়েছে, জানান তিনি।

অনেকেরই নিবন্ধন না থাকার ব্যাপারে তিনি বলেন, অভিযোগ রয়েছে দেশের অনেক এতিমখানা নিয়মে আসতে চায় না বলে নিবন্ধন করে না। তারা দানের মাধ্যমেই খরচ চালাতে চায়। আবার অনেক ক্ষেত্রে এতিমখানা নাম দিয়ে মাদ্রাসাই চালানো হয়, কিন্তু সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে এতিমদের বরাদ্দের টাকা ঠিকই ওঠানো হয়। এছাড়া কয়েকটি এতিমখানা থেকে এতিমের সংখ্যা বাস্তবের চেয়েও বেশি দেখানো হয় অধিক বরাদ্দের লোভে।

তবে এতিমখানাগুলোতে শুধু আরবী শিক্ষা দেওয়া হবে এমন কোন নিয়ম নেই উল্লেখ করে মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, দেশে আগে থেকেই এটি চলে আসছে, তবে চাইলে যে কোন মাধ্যমে, যে কোন বিষয় পড়ানো যাবে।

এতিমখানাগুলো নিয়ে যেসব অভিযোগ আসছে সেগুলোর ব্যাপারে মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বাংলানিউজ।

শেয়ার করুন !
  • 707
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!