হেফাজত নিষিদ্ধের দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্মারকলিপি আহলে সুন্নাতের

0

সময় এখন ডেস্ক:

হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে ধর্মীয় সংগঠন ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে স্মারকলিপি দিয়েছে।

রোববার (২ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধানমন্ডিতে মন্ত্রীর বাসায় গিয়ে স্মারকলিপি দিয়ে আসেন সংগঠনটির নেতারা।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশের নির্বাহী মহাসচিব আ ন ম মাসউদ হোসাইন আলকাদেরীর নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যান।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল হেফাজতকে ‘উগ্রবাদী জঙ্গি গোষ্ঠী’ আখ্যায়িত করে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত। এর দু’দিন পরেই ২৬ এপ্রিল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করে একই দাবি করেন আহলে সুন্নাতের নেতারা।

হেফাজতে ইসলামের বিরু’দ্ধে জঙ্গিবাদ ও ধর্মবিরোধী কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বলছে, কওমি মাদ্রাসাকে সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আহলে সুন্নাতের দাবি হেফাজতে ইসলাম হচ্ছে জামায়াতের এপিঠ-ওপিঠ।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন নঈমী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি। আমাদের কথা মন্ত্রীকে জানিয়েছি। দাবির বিষয়গুলো স্মারকলিপি দিয়েছি।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে আদালতের অনুমতি লাগবে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে হলে আদালতের অনুমতি লাগবে বলে মনে করেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

তিনি বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকার তাকে (খালেদা জিয়া) মুক্তি দিয়েছে। তবে এখন তাকে বিদেশ নিতে হলে তাকে আদালতে আসতে হবে বলে আমার মনে হচ্ছে। তার পরও বিষয়টি ভালোভাবে না দেখে এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মঙ্গলবার এই অভিমত দেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি আরো বলেন, ওনার (খালেদা জিয়া) চিকিৎসা কতটুকু প্রয়োজন। বাংলাদেশেই তার চিকিৎসা সম্ভব কি না, বাংলাদেশে কী ব্যবস্থা আছে সব কিছু দেখেই সরকার বিবেচনা করবে।

দুটি দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জেলে ছিলেন খালেদা জিয়া। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের আবেদনে তার সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত রেখে তাকে সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তি দেয় সরকার। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে সরকার শর্ত সাপেক্ষে এই মুক্তির আদেশ দেয়।

এই আদেশে গত বছরের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর খালেদা জিয়া রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের নিজের বাসভবন ফিরোজায় যান।

সেই থেকে তিনি সেখানেই আছেন। এরই মধ্যে তার মুক্তির মেয়াদ আরো বাড়ানো হয়েছে। তবে তিনি করোনায়সে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শেয়ার করুন !
  • 272
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!