ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়, সারাদেশের জন্য: হাছান মাহমুদ

0

সময় এখন ডেস্ক:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়, পুরো দেশের মানুষের জন্য বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকেদের উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে সরকার। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের জন্য ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোববার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করছে। দেশের গণমাধ্যম যদি স্বাধীনতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে সমান্তরালে কাজ করে তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইউরোপ, আমেরিকার গণমাধ্যমের লেভেলে নিয়ে যেতে পারবেন বলেন আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন তিনি।

সাংবাদিকদের আবাসন নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বিস্তৃতি ও বিকাশ এবং অধিকতর কার্যকরের জন্য কাজ করা হবে। ডিজিটাল আইন নিয়ে সাংবাদিকদের যেসব উদ্বিগ্নতার জায়গা, রয়েছে সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখা হবে।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার অগ্রগতি এবং তাদের বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট যারা কাজ করছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

নিজেদের কারণেই বিএনপির রাজনৈতিক বিপর্যয় ঘটেছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ১০ বছরে বিএনপি জনগণের জন্য রাজনীতি করেনি। তারা নিজেদের ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত ছিল। তারা এই কয়েক বছরে খালেদা জিয়ার মুক্তি, দণ্ডিত আসামি তারেক রহমানকে ফেরানো, নিরপেক্ষ সরকার এসব ইস্যু নিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিল। এগুলো জনকল্যাণভিত্তিক বা জনগণের বিষয় নয়।

তিনি বলেন, যে দলটি নিজেদের স্বার্থে রাজনীতি করেছে তারা জনগণের ভালোবাসা পেতে পারে না। তারা এসব স্বার্থ সিদ্ধির জন্য পেট্রোল বোমা হামলাসহ আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছে। জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেদের দাঁড় করিয়েছে।

ইতিপূর্বে সচিবালয়ে দায়িত্ব নিয়ে প্রথম দিনই গত ৮ জানুয়ারি নিজ দপ্তরে আলাপকালে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে সহযোগিতা চেয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‌‘উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়তে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যে ভিশন নিয়ে আমরা আগাচ্ছি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বাস্তবায়ন করবো। আর সেজন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাই।’

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনার সময়ে গণমাধ্যমের বিকাশ ঘটেছে। এছাড়া টেলিভিশন এবং অনলাইন গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে শেখ হাসিনা সময়েই। তবে আমরা জানি, অনেক ভুয়া অনলাইন কিছু উল্টা-পাল্টা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। অনেকের চরিত্র হননের চেষ্টা করছে তারা। আমরা আপনাদের (সাংবাদিকদের) সহযোগিতা নিয়ে এগুলো মোকাবিলা করবো।’

শেয়ার করুন !
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply