পরীমণিকে কোলে নিয়ে ক্লাব থেকে বের হন জিমি

0

সময় এখন ডেস্ক:

বোট ক্লাবেই অচেতন হয়ে পড়েছিলেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। সেখান থেকে দ্রুত তাকে কোলে করে দৌড়ে বেরিয়ে আসেন কস্টিউম ডিজাইনার জিমি। বোট ক্লাবের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এমন দৃশ্য।

৯ জুন, রাত ১২টা ২২ মিনিট। ঢাকা বোট ক্লাবের সামনে এসে দাঁড়ায় একটি কালো রঙের প্রাইভেট কার। নামতে দেখা যায় চিত্রনায়িকা পরীমণি, অমি ও জিমিকে। একটু পর গাড়ি থেকে নামনে বনি। ক্লাবের রিসিপশন অতিক্রম করে তাদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

দেড় ঘণ্টা পর পরীমণিকে অচেতন অবস্থায় কোলে নিয়ে বের হতে দেখা যায় জিমি ও এক নিরাপত্তা কর্মীকে। ক্লাবে কালো রঙয়ের গাড়িতে এলেও বাইরে এসে সাদা রঙয়ের একটি প্রাইভেট কারে উঠতে দেখা যায় তাদের।

সেখান থেকে রাত ৩টা ৫২ মিনিটে বনানী থানায় আসেন পরীমণি। প্রবেশ করেন ডিউটি অফিসারের কক্ষে। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকেও বেরিয়ে যান তারা। পুলিশ সেখান থেকে অচেতন পরীমণিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

এদিকে রোববার মধ্যরাতের পর পরীমণির মামলায় গ্রেপ্তার অমির অফিসে অভিযান চালিয়েছে সাভার থানা পুলিশ। উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৭/এ রোডের ভবনে অভিযান চালিয়ে ১৩২টি পাসপোর্ট উদ্ধার করে পুলিশ।

পরীমণির কস্টিউম ডিজাইনার জিমির বক্তব্য

সেই রাতে ঘটনার সময় পরীমণির সঙ্গে উপস্থিত থাকা তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি সংবাদমাধ্যমের কাছে সেই রাতের ঘটনা খুলে বললেন।

জিমি বলেন, আমার নাম জিমি। আমি ফ্যাশন ডিজাইনার। সব কথা বলার মতো সাহস সবসময় থাকে না। কথাগুলো বলার সময় হয়েছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সব কিছু বের হবে, সবার সামনে আসবে, আমি এটা বিশ্বাস করি।

জিমি বলেন, তারা আপিকে (পরীমণি) অত্যন্ত অ-শালীন ভাষায় গাল দেয়। আপি আমাকে আগেই বলেছিল যদি কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করতে। ওরা যখন আপিকে গাল দিচ্ছিল তখন আমার হাত কাঁপছিল রাগে। আমি আপির মোবাইল ফোন বের করেছি, তবে ব্যবহার করতে পারিনি।

পরে আমি আমার মোবাইলে ১৫ সেন্ডের একটি ভিডিও ধারণ করেছি। ওটা হাতে নিয়ে দেখার পরে আমাকে এসে ওরা দুজন অ্যাটাক করে। আমি আপির ফোনটা ওখানেই রেখে এসেছি। ওরা ভাবছে আপির ফোনেই ভিডিও করেছি। আপির ফোন ফেলে দিয়েছে।

জিমি বলেন, ওরা লাইট বন্ধ করে দেয়, এসিও বন্ধ। আপির দমবন্ধ লাগায় আমি এক ওয়েটারকে এসি ছাড়ার অনুরোধ করি। ওরা আমাকে সাপোর্ট দেয়। ওরা এসি ছেড়ে দেয়। ওয়েটাররা পাশেই ছিল। আর এর মধ্যে ওরা চলে গেছে।

তখন ওয়েটারদের বলেছি ভাইয়া লাইটা জ্বালিয়ে দেন। তখন তো আপি নিশ্বাস নিতেই পারছিল না। হাসপাতালে নিতে হবে, অক্সিজেন লাগবে। তখন আমি তাদের বলেছি প্লিজ আপিকে ধরেন, তো আমি ধরছি আমার সঙ্গে তারাও ধরছে গাড়িতে তুলে দিয়েছে।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!