বিদেশে বসে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নাশকতা পরিকল্পনা হচ্ছে!

0

বিশেষ সংবাদদাতা:

দীর্ঘদিন ধরেই একটা বিশেষ গোষ্ঠী রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যা এবং বাংলাদেশে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর অনুযায়ী লন্ডনে পালাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া এবং লন্ডন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানরা এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত।

একাধিক গোয়েন্দা সূত্র নিশ্চিত করেছে, নির্বাচনের আগেই তারা একটি নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। সেই সময় তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর শারীরিক আক্রমন অথবা রাষ্ট্রের কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার উপর আক্রমনের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু সেই পরিকল্পনা গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারীর কারণে সফল হতে পারেনি।

টানা তৃতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শেখ হাসিনা। ৭ জানুয়ারি নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর বিএনপি এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করলো। তবে কথিত কারচুপির অভিযোগে তারা কোন আন্দোলনও করতে পারেনি। বিএনপি প্রথম পর্যায়ে চেষ্টা করেছিল আন্তর্জাতিক মহলের সহমর্মিতা এবং সহযোগিতা আদায়। এজন্য তারা কূটনৈতিক তৎপরতাও শুরু করেছিল। কূটনৈতিক তৎপরতায় তারা ব্যার্থ হয়। কোনো দেশই বাংলাদেশের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যে বিএনপির প্রস্তাব, তাতে রাজি হননি।

কূটনৈতিক তৎপরতায় ব্যর্থ হওয়ার পর বিএনপি রাজনৈতিক কর্মসূচী দেওয়ার চেষ্টা করেছে। সেই কর্মসূচীতেও তারা চুড়ান্ত ব্যার্থ। বিএনপি যে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছিল, তাতে ৫০০ লোকও হয়নি। যার ফলে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ বিএনপির একটি অংশ সহিংস পন্থায় সরকার বদলের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে গোয়েন্দাদের কাছে রিপোর্ট আছে। এই পরিকল্পনাগুলো লন্ডন, যুক্তরাষ্ট্র এবং দুবাইয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জানা গেছে যে, এই প্রক্রিয়াগুলোর জন্য অর্থায়ন কীভাবে এই পরিকল্পনা করা হবে সেগুলোর ব্যাপারে একাধিক বৈঠকের কথাও গোয়েন্দাদের কাছে এসেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, তারেক জিয়ার পরিকল্পনা এবং পৃষ্ঠপোষকতায়ই ২০০৪ সালে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটনো হয়েছিল। সেই সময় তারেক বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনের সহযোগিতা নিয়ে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। এবারও একই রকমভাবে তারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রাননাশের চেষ্টা চালাবে বলে জানা যাচ্ছে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে যে, দুবাইয়ের বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে তারেক জিয়া এ ব্যপারে একাধিক বৈঠক করেছেন। সেই সমস্ত বৈঠকের তথ্য প্রমানাদি গোয়েন্দাদের হাতে রয়েছে। একইভাবে লন্ডন এবং যুক্তরাষ্ট্রেও যুদ্ধপরাধীদের সন্তানদের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার নানা পরিকল্পনার তথ্যও গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। গোয়েন্দারা বলছেন যে, বাংলাদেশে হলি আর্টিজানের পর গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা অনেকে বেড়েছে। কাজেই এ ধরনের পরিকল্পনা ব্যার্থ করার জন্য তারা প্রস্তুত।

শেয়ার করুন !
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply