বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দ্রুত আধুনিকায়ন করা হচ্ছে

0

সময় এখন ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিমালা করে দিয়ে গেছেন। এরই আলোকে যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতিমালার মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার মিরপুর সেনানিবাসের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে ডিএসসিএসসি-২০১৮-১৯ কোর্সের গ্র্যাজুয়েশনসম্পন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। জাতির পিতা আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিমালা করে দিয়ে গেছেন। আমরা এরই আলোকে যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতিমালা করছি। আমরা সেভাবেই সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন করছি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আপনারা সমর বিজ্ঞানের ওপর উচ্চতর জ্ঞান লাভ করেছেন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান যে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আত্মপ্রত্যয়ী হতে শেখাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে একসময় দুর্নীতি ও দুর্যোগের দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও বিশ্বে আমরা এখন উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। দারিদ্র্যের হার কমিয়ে এনেছি।

তিনি বলেন, মানুষ যাতে গ্রামে থেকেই শহরের সব নাগরিক সুবিধা পায় সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

এ বছর ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ কোর্সে সেনাবাহিনীর ১১৮ জন, নৌবাহিনীর ২৯, বিমানবাহিনীর ২৩ এবং যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারতসহ ১৯টি দেশের ৪৫ জন কর্মকর্তা কোর্স সম্পন্ন করেছেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২য় এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেড হচ্ছে

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২য় এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি (এডিএ) ব্রিগেড গঠন করা হচ্ছে। বিদ্যমান এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারির বিভিন্ন ইউনিট পরিচালনায় প্রস্তাবিত এই ব্রিগেডে ১০৯ জন জনবল ও ১০টি যানবাহন যুক্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি সরকারের প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় এই প্রস্তাবের পক্ষে সুপারিশ করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিষয়ক সচিব এন এম জিয়াউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বর্তমানে এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ইউনিটের সংখ্যা ১১টি এবং এসব ইউনিট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার জন্য মাত্র ১টি এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেড রয়েছে। সামরিক সক্ষমতা অনুযায়ী, এ ধরনের একটি ব্রিগেড দিয়ে একই বড়জোর ৩/৪টি ইউনিটকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা সম্ভব।

প্রসঙ্গত, নিয়মানুযায়ী যে ব্রিগেড একাধিক ইউনিট নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, সেই সব ইউনিট সাধারণত একই সেনানিবাসে অবস্থান করে। কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেডটি ঢাকায় অবস্থান করলেও এই ব্রিগেডের অধীন ইউনিটগুলো বিভিন্ন সেনানিবাসে অবস্থান করছে। ফলে ইউনিটগুলোকে আদেশ, নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনিক কাজ, প্রশিক্ষণ অপারেশন এবং অভিযান একটি মাত্র ব্রিগেডের পক্ষে পরিচালনা করা কষ্টসাধ্য। এছাড়া, ভবিষ্যতে সেনাবাহিনীতে আরও এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ইউনিট সংযোজন হওয়ার কথা রয়েছে। এ অবস্থায় সেনাবাহিনীর জন্য ২য় এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেড গঠন করা জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন !
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply