চাঁদপুরে মন্দিরে হামলায় জামায়াত নেতার দায় স্বীকার

0

সময় এখন ডেস্ক:

চাঁদপুরে হাজীগঞ্জে পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে সাবেক উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও বর্তমানে জামায়াত নেতা কামালউদ্দিন আব্বাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে এই জবানবন্দি প্রদান করেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে হাজীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় কামালউদ্দিন আব্বাসীকে। এদিকে, ঘটনার সময় পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, এই আব্বাসী অন্যদের সঙ্গে নিয়ে হামলায় অংশ নিয়েছে।

গত ১৩ অক্টোবর রাত ৮টার পর হাজীগঞ্জ বাজারে শ্রী শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ জিউ আখড়া ও পাশের রামকৃষ্ণ মিশন মন্দিরে হামলা করে একদল দুর্বৃত্ত। ওই ঘটনায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১০টি মামলা করে। এসব মামলায় অজ্ঞাত প্রায় ২ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। ইতিমধ্যে জামায়াত নেতা কামালউদ্দিন আব্বাসীসহ ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এদিকে, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতেই আসামি কামালউদ্দিন আব্বাসীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ জানান, হাজীগঞ্জের ঘটনার আশপাশে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দেখে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

এর সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার।

নোয়াখালীতে সহিংসতার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬

নোয়াখালীর চৌমুহনীতে সহিংসতার ঘটনায় র‌্যাব ও পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভিডিও ফুটেজ দেখে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দুর্গাপুর ইউনিয়নের আবুল কালামের ছেলে গোলাম কিবরিয়া সুমন (৩০), হাজীপুর ইউনিয়নের শফিউল্লাহর ছেলে শাহাদাত হোসেন (৩৪), নেয়াজপুর ইউনিয়নের আবুল হোসেনের ছেলে আনোয়ারুল আজিম (৪০)।

এদিকে সকালে নোয়াখালী জেলা টিভি সাংবাদিক ফোরামের এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে র‌্যাব জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে এ পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে।

এর মধ্যে ৬ জনকে বেগমগঞ্জ থানার মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করেন আর বুধবার রাতে বিশেষ অভিযানে আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সোহরাব হোসেন, মো. মানু ও হারুনুর রশিদ।

এছাড়া চৌমুনীতে সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮টি মামলায় এজহার নামীয় আসামি ৬৮ জন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট ৩৯ জনসহ মোট ১০৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম জানান, চৌমুহনীতে মন্দিরের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৮টি মামলায় আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে মোট এই পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করি এবং ৩ জনকে থানা মাধ্যমে আদালতে পাঠিয়েছি।

বাকিদের আদালতে পাঠানো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া এই গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান তিনি।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!