ডাকসুতে জিতলে ছাত্রলীগ ৩টি সমস্যার সমাধান করবে: শোভন

0

সময় এখন ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্যানেল বিজয়ী হলে খাদ্য, আবাসন ও লাইব্রেরি সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরি শোভন। আজ শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সে হারে অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধি পায়নি। ছাত্রলীগ সব সময় সাধারণ ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা বলেছে। আগামী ডাকসু নির্বাচনে যদি ছাত্ররা ছাত্রলীগের প্যানেলকে বিজয়ী করে তাহলে আমরা তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দিব। আবাসন, খাদ্য ও লাইব্রেরি সমস্যা দূর করার জন্য কাজ করব। কারণ যদি ভাল খাবারের ব্যবস্থা করা যায় ও আবাসন সংকট দূর করা যায় তাহলে ছাত্রদের মেধা আরো বিকাশিত হবে। আপনারা হয়তো জানেন, বিশ্বের নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২৪ ঘন্টা লাইব্রেরি খোলা রাখা হয়। কিন্তু আমাদের এখানে রাত ৯টার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমরা চেষ্টা করব যাতে আমাদের লাইব্রেরি সারা রাত খোলা রাখা হয়।

ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল কেমন হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। ৫২র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬৯র গণঅভ্যুত্থান, ৭১র মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামনে থেকে ভূমিকা পালন করেছে। আগামীতেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করবে। যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী তাদের সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। ছাত্রলীগ ডাকসুতে এমন একটি প্যানেল দিবে যেখানে সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যদেরও স্থান দেওয়া হবে। সেই লক্ষ্যে টিএসসির বিভিন্ন সংগঠনের সাথে আমাদের যোগাযোগ চলছে।

ছাত্রদল ও অন্যন্য সংগঠন দাবি করছে ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র যাতে হলের বাইরে স্থাপন করা হয়। এছাড়াও নির্বাচন তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করছে ছাত্রদল। এই বিষয়ে ছাত্রলীগের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে শোভন বলেন, অনেক সংগঠনই হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র স্থাপনের দাবি তুলছে। এটা তারা করতেই পারে। আমরাও অনেক দাবি করেছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেটা ভাল মনে করেছে সেটা করেছে। আর নির্বাচন পেছানোর কোন প্রশ্নই উঠে না। এর আগে তিনবার ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই নির্বাচন আর হয়ে ওঠেনি। ইতোমধ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করছে। তারা চাচ্ছে নির্বাচন হোক। আর একবার যদি নির্বাচন পিছিয়ে যায় তাহলে আর নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না। তাই আমরা চাই ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।

শেয়ার করুন !
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply