ডিজিটাল হুন্ডি ও বিকাশ বৃত্তান্ত

0

মুক্তমঞ্চ:

বিকাশ-এর নাম শুনলেই নুরার চেহারাটা ভাইসা উঠে! শুধু আমার না, প্রায় সবারই। সত্যি বলতে ওরে কেউ আর ভিপি ডাকে না, ডাকে বিকাশ নুর। অফিসিয়াল ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসেডর না হইলেও সিঙ্গেল হ্যান্ডেডলি আর কেউ বিকাশ ব্যবহার কইরা এত কোটি টাকা আয় করতে পারছে বইলা আমার অন্তত জানা নাই। তবে এইটা এখন অতীতবাচ্য। বিকাশ শুনলে আমার চোখে এখন অন্য আরেকটা নাম ভাইসা উঠতেছে। সেই বিষয়ে পরে আসতেছি। তার আগে বলি হঠাৎ কেন এই মোবাইল ফিন্যান্সিং সার্ভিস নিয়া আমি বিচলিত।

সত্যি বলতে বিকাশের মাধ্যমে উপকৃত লাখো মানুষের একজন আমিও। প্রথম যখন বিকাশ আসলো ত্বরিৎগতিতে ধার-দেনা করার সক্ষমতা পাইলাম আমি। টাকা লাগবো, ফোন দিলাম, ধার নিলাম, বিকাশ করলো, এজেন্ট থিকা টাকা নিলাম। বিন্দাস ব্যবস্থা। এই দূর্দান্ত সার্ভিসের বিনিময়ে বিকাশের লাভ কী? তারা একটা ফি নেয়। এটাই তাদের আয়। এবং এই সেবা দিয়াই তারা একটা মনোপলি অবস্থানে চইলা গেছে মোবাইল ফাইন্যান্সিংয়ে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বেশি তাগো গ্রাহক এবং মার্কেটের প্রায় ৭০ ভাগ তাগো দখলে।

তো হঠাৎ বিকাশ আলোচনায় কেন? আলোচনায় আসছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তর বা সিআইডির অপরাধ তদন্ত বিভাগের এক চাঞ্চল্যকর বয়ানে। বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে বছরে ৭৫ হাজার কোটি পাচার হইছে যার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম ছিলো বিকাশ! বিদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা ৭.৮ বিলিয়ন ডলার! এই পরিমাণ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ! সাম্প্রতিক কোভিড সংকট আর তারপর রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের ডামাডোলে সারা বিশ্ব যখন জেরবার, তখন বাংলাদেশকে টিকায়া রাখছে দেশপ্রেমিক প্রবাসীরা তাগো রেমিট্যান্সের মাধ্যমে। রিজার্ভ দিয়া বাংলাদেশ ব্যাংক বারবার জানান দিছে দেশ শ্রীলংকা হইয়া যাওয়ার সম্ভবনা একেবারেই নাই। এই জায়গাটাতেই আঘাত হানলো ওই মানি লন্ডারিং, যার নাম দেওয়া হইছে ডিজিটাল হুন্ডি। যার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম বিকাশ।

অন্যতম বলতেছি কারণ, বিকাশ একা না। সিআইডি এই কারবারের সাথে নগদ, রকেট, এম ক্যাশ, উপায়সহ অন্য এমএফএস অপারেটরের নামও বলছে। কইতে পারেন, সব মাছেই গু খায়, আপনে বোয়ালের দোষ দিতেছেন ক্যান? ভাই, মাছটা বোয়াল! অন্য মাছগুলার সাইজ দেখেন, বাজার দেখেন। আর সিআইডির জালে যারা ধরা পড়ছে তাগো পরিচয় দেখেন। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হইছে- “মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ব্যবহার করে বিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল হুন্ডি কারবার করা ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার ১৬ জনের মধ্যে ৬ জন বিকাশ এজেন্ট, ৩ জন বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর সেলস অফিসার, ৩ জন বিকাশের ডিএসএস, ২ জন হুন্ডি এজেন্ট, একজন হুন্ডি এজেন্টের সহযোগী ও একজন হুন্ডি পরিচালনাকারী।“ (সূত্র: ইত্তেফাক ৮ই সেপ্টম্বর, ২০২২)

এইটাও নতুন কিছু না। ২০১৮ সালের ৩রা জানুয়ারি বিকাশের ৭ জন এজেন্ট একই অপরাধে গ্রেপ্তার হইছিলো। সেবার সিআইডি সংবাদ সম্মেলনে বলছিলো, বিকাশে হুন্ডির অর্থ লেনদেনের নির্দিষ্ট হিসাব তাদের কাছে নাই, তবে সেটা হাজার কোটি টাকার উপরে বইলা তাগো আন্দাজ (সূত্র: বাংলানিউজ ৪ জানুয়ারি, ২০১৮)।

তো এই তথ্যগুলা এবং বিকাশের এজেন্টদের অপকর্মের খতিয়ান কিন্তু গুগল সার্চ দিলেই পাইবেন। যেই ১৬ জনরে গ্রেপ্তার করা হইছে তাগো কাছে প্রচুর মোবাইল ফোন, নগদ সাড়ে ১০ লাখ টাকা আর সাড়ে ৩ কোটির উপর ই-মানি মিলছে। এরাই জিজ্ঞাসাবাদে বলছে এদের মতো আরো ৫ হাজার এজেন্ট ডিজিটাল হুন্ডির লগে জড়িত। গত চারমাসে তারা দেশের বাইরে পাচার করছে ২৫ হাজার কোটি টাকা!

সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া ৮ই সেপ্টেম্বরের সংবাদ সম্মেলনে ব্যাখ্যা করছেন কীভাবে এরা কাজ করে।

বিডিনিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী: মোহাম্মদ আলী বলেন, হুন্ডিচক্রের সদস্যরা প্রবাসে বাংলাদেশির কাছ থেকে বিদেশি মুদ্রা সংগ্রহ করেন দেশে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা বিদেশি মুদ্রা না পাঠিয়ে সমমূল্যের বাংলাদেশি টাকা দেশে পরিবারকে বুঝিয়ে দেন। তাতে দেশ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা থেকে বঞ্চিত থাকে।

সিআইডি বলছে, হুন্ডিচক্র কাজটি করে তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে। প্রথম গ্রুপ বিদেশে অবস্থান করে প্রবাসীদের কাছ থেকে বিদেশি মুদ্রা সংগ্রহ করে। দ্বিতীয় গ্রুপ কাজ করে দেশে। হুন্ডির সমপরিমাণ অর্থ তারা বাংলাদেশি টাকায় নির্দিষ্ট মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস এজেন্টদের দেয়। ওই এমএফএস এজেন্টরা হল তৃতীয় গ্রুপ। হুন্ডি হয়ে তাদের হাতে আসা টাকা তারা দেশে নির্দিষ্ট ফোন নম্বরে পরিশোধ করে। আবার দেশ থেকে যখন টাকা পাচার হয়, এর ঠিক উল্টো প্রক্রিয়া চলে। এসব চক্র অবৈধভাবে এমএফএস-এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হুন্ডি করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। (সূত্র: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২২)

এখন বিকাশ বলছে তাগো দোষ কী! প্রবাসীরা যখন দেশে টাকা পাঠায় তারা বেটার রেট খুঁজে, সহজ উপায় খুঁজে। এখন কোনো মানি এক্সচেঞ্জ যদি দোকানের সামনে বিকাশের সাইনবোর্ড লাগায়া হুন্ডি করে তাগো দায় কোথায়? দায়টা কী, তা তো উপরের প্যারাগ্রাফেই পরিষ্কার। আপনারা এই হুন্ডির প্ল্যাটফর্ম দিতেছেন। গত কয়দিনে শত শত সিম বন্ধ করছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। সামনে আরো হবে। এবং এইসব সিমই বিকাশ এজেন্টগো। সংবাদ প্রতিবেদনে বলতেছে: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কিছুদিন ধরেই বিদেশ থেকে টাকা আনা ও পাচারের ক্ষেত্রে ডিজিটালি কোন ধরনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়ে তদন্ত করছে।

এর আগে তারা রিং আইডিসহ বেশ কিছু প্রতারকের মাধ্যমে অর্থ পাচার ও হুন্ডি হচ্ছে বলে জানিয়েছিল। সেই অর্থ এই দেশে তাদের এজেন্টরা লেনদেন করছিলেন বিকাশের মাধ্যমে। আর এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা পেয়েই সিম বন্ধ শুরু করে বিকাশ। সাধারণত একজন বিকাশ এজেন্টের দৈনিক লেনদেনে ক্যাশ-ইন ও আউটে খুব বেশি হেরফের হয় না। অর্থাৎ ক্যাশ আউটের কাছাকাছি থাকে ক্যাশ-ইনের পরিমাণ। কিন্তু অভিযুক্ত নম্বরগুলোয় অস্বাভাবিক হারে ক্যাশ-ইন হয়েছে গত কিছুদিন। যেগুলোর তদন্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। (টেকজুম টিভি, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২২)

এখন বিকাশের এই অপতৎপরতা পুলিশের তদন্তের পরই মিডিয়াগুলায় আসে। তারা কিন্তু নিজেরা কিছু লিখতে বা বলতে সাহস পায় না। কারণ বিকাশ তাগো মুখ বন্ধ কইরা রাখছে বিজ্ঞাপনে। সিআইডির সংবাদ সম্মেলনে যদি নগদ, রকেট বা উপায়ের নাম না থাকতো তারা এইটা প্রকাশও করতো বইলা মনে হয় না। অথচ এই ডিজিটাল হুন্ডির বিষয়টা পাত্তা না দেওয়া হইলে দেশ কত বড় বিপদে পড়তে যাইতেছিলো ভাবলেই তো গা শিউরায়া উঠে। কইতারেন সরকারী সংস্থাগুলা কী করে, বাংলাদেশ ব্যাংক কী করে? আপনে যখন মনোপলি চালাইবেন তখন নিশ্চয়ই কোনো প্রতিযোগিতা চাইবেন না। আর সেটার জন্য আপনে সরকারী অফিসে লোক রাখবেন, তাগো টাকা দিবেন বেতনের কয়েকগুণ, যাতে তারা তাগো সঠিক দায়িত্বটা পালন না করে। এইসব ব্যাপার চাইপা যায়, চোখ বন্ধ কইরা চলতে দেয়।

এই খেলা টেলিযোগাযোগ খাতেও আমরা দেখছি। গ্রামীণফোনের মনোপলি দেখেন। তাগো সব সার্ভিসে চড়াদর, বাংলাদেশ সরকার টেলিটকের মতো সার্ভিস আইনাও দাঁড় করাইতে পারে নাই। কারণ দাঁড়াইতে দেওয়া হয় নাই। এমএফএস খাতেও একই অবস্থা হইতো যদি না সরকারের প্রতিষ্ঠান ডাকঘরের নগদে বেসরকারী অংশীদারিত্ব থাকতো। তো গ্রামীণে যেমন আছেন প্রফেসর ইউনূস সাব, তেমনি বিকাশের নেপথ্যেও জুইড়া আছে যুদ্ধাপরাধীগো বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ডেভিড বার্গম্যান!

জ্বি ঠিকই শুনছেন। ব্র্যাক ব্যাংকের এই সাবসিডিয়ারির লগে একসময় বিল-মেলিন্ডা গেটস, আইএফসির সংশ্লিষ্ঠতা থাকলেও তাগো মাম্মিড্যাডির নাম হইতেছে মানি ইন মোশন এলএলসি। আম্রিকার ক্যালিফোর্নিয়ার এই কোম্পানির তিন ডিরেক্টরের একজন আমরার ডেভিড সাব। তিনি বিকাশের লভ্যাংশ শুধু পান না, বিকাশের প্রতিদ্বন্দ্বীদের পুটু মারার জন্য তার মিডিয়া ব্যবহার করেন। আল-জাজিরা আছে, তার পোষ্য খলিলরে কইলেই তার স্বামীরে স্বাক্ষী রাইখা একটা ডকুমেন্টারি বানায়া ফেলবে যে গত ১০ বছর ধইরা ডিজিটাল হুন্ডি করতেছে আসলে নগদ! এই বিষয়ে গতবছর একাত্তর টিভিতে একটা অনুষ্ঠান করছিলেন ফারজানা রূপা। যদিও বিকাশ একাত্তরের বড় বিজ্ঞাপনদাতা। তারপরও রূপা সাহস করছিলেন।

তো এতবড় কোম্পানি বিকাশ, এত হাজার হাজার কোটি টাকার টার্নওভার তাগো, তারপরও এই কোম্পানি নাকি লসে! বিশ্বাস হয়, আপনারা যারা সরকারী দরপত্রে ৫ টাকার চামচের দাম ৫০ হাজার দেখলেই লাফ দিয়া উঠেন, তারা বিকাশের খরচাপাতির হিসাব দেখলে হার্টফেল করতারেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী গত এপ্রিল মাসে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল লেনদেন প্রায় ৯২ হাজার কোটি টাকার মতো। মার্কেট শেয়ার অনুযায়ী তাহলে বিকাশের লেনদেন ৭৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। শুধু এপ্রিল মাসেই যদি এই পরিমাণ লেনদেন তাদের হয়, তাহলে বছরে তাদের যে বিশাল পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এত লেনদেন, এত মার্কেট শেয়ার দখলের পরেও বিকাশ গত ৩ বছর ধরে দাবি করতেছে, তারা শুধুই লসে! এবং তাদের এই কোটি কোটি টাকার ‘লোকসান’ প্রতি বছর দ্বিগুণ হইয়া বাড়তেছে। ব্র্যাকের ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিকাশ ১১৭ কোটি টাকা লসে আছে। ২০২০ সালে এই লসের পরিমাণ ছিলো ৮১ কোটি টাকারও বেশি! এত এত লেনদেন, এত মানুষ প্রতিনিয়ত ব্যবহার করছে, তাও চড়া সার্ভিস চার্জ দিয়ে (১৮.৫০ টাকা)- তারপরও এত লস কেন?

বিকাশ বলতেছে, সেবার মান বাড়ানোর জন্য আর টেকনোলজি উন্নত করার জন্য তারা খরচ করতেছে বইলাই লোকসানে আছে। ব্র্যাক ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সালে অপারেটিভ অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এক্সপেন্স ছিলো প্রায় ৫৮৫ কোটি টাকা। আবার আরেকটি রিপোর্টে দেখা যায়, একুজিশন অফ প্রোপার্টি, প্ল্যান্টস অ্যান্ড ইক্যুইপমেন্ট এবং ইনটেনজিবল অ্যাসেটস-এ তাদের খরচ প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা। এই ইনটেনজিবল অ্যাসেট, যেটা তারা বলতেছে তাগো মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের খরচ। শুধু অ্যাপেই তাদের এত বড় খরচ কীভাবে হচ্ছে, তার হিসাব জানতে চাইছে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর বিএফআইইউ। যার উত্তর এখনও পাওয়া যায় নাই।

এত এত প্রণোদনা, এত কিছুর পরও ডিজিটাল হুন্ডির কাছে রেমিট্যান্স আর রিজার্ভ অসহায় হইয়া পড়তেছে। দেশকে বিপদে ফালাইতে তৎপর এই মাফিয়াচক্রের জন্য বড় প্ল্যাটফর্ম হইয়া দাঁড়াইছে বার্গম্যানের বিকাশ।

আমার এই লেখা কোনো পত্রিকা ছাপাইবো না কারণ বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনদাতারে চটায়া তারা ব্যবসা লসে ফেলবো না। তাই আপনাগো লগে শেয়ার করলাম। লেখাটা পইড়া ভালো লাগলে আমারে বিকাশ করতে হইবো না, শেয়ার কইরেন। মানুষরে জানাইয়েন। কারণ আমরা কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানী বা ব্যবসায়ী নিয়া বিচলিত না। আমরা লড়তেছি একটা দেশবিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে।…

লেখক পরিচিতি: অমি রহমান পিয়াল
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, সাংবাদিক, ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট।

শেয়ার করুন !
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!