ছাত্রলীগের কমিটির বিষয়টা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী দেখছেন: কাদের

0

সময় এখন ডেস্ক:

ছাত্রলীগের কমিটিতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন, সংশোধনের প্রশ্ন এলে সেটা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নিজেই করবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত আকারে কোনো কিছু না এলে আমি কিছু বলতে পারি না।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী দেখছেন। ছাত্রলীগে কোনো সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন, সংশোধনের প্রশ্ন এলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই করবেন।

ছাত্রলীগের আগাম সম্মেলনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আগাম সম্মেলনের কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি। এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। পুরোপুরিভাবে নেত্রী নিজেই দেখেছেন। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, দলের চারজনকে ছাত্রলীগের বিষয়টি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি সব সময় ভালো কাজের প্রশংসা করি। দলের ভেতরে কোনো আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলে বা খারাপ কাজ হলে কাউকে তিরস্কার করতে হয় আমি তার পক্ষে, ভালো কাজের পুরস্কারও দেওয়া উচিত এবং খারাপ কাজের তিরস্কার। ছাত্রলীগের বিষয়টি নেত্রী দেখছেন।

এর আগে গত শনিবার গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভায় প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে এ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

পরে রোববার সকালে ওবায়দুল কাদের বলেন, মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ছাত্রলীগের কিছু কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষোভ থাকতে পারে।

ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে গণভবন থেকে চলে যেতে বলেছেন- এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তাদের চলে যেতে বলবো কেন? প্রাইম মিনিস্টারের ওখানে দেখা করতে গেছে। বিভিন্ন জেলা থেকে নেতারা গেছে, ছাত্রলীগ গেছে। প্রাইম মিনিস্টারের বাড়িতে তারা গেছে। আমি কীভাবে বলি, তোমরা এখান থেকে চলে যাও? আসলে কিছু কিছু খবর হাওয়া থেকে পাওয়া হয়ে যায়। একটা হয়, আরেকটা আসে। নানাভাবে ছড়ায়। বাস্তবতাটা ভিন্ন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, এ ধরনের (কমিটি ভেঙে দেয়া) কিছু হলে আপনারা তো দেখবেনই। এটা তো পাবলিক স্টেটমেন্ট। ডিসিশন জানা যাবে, এটা তো ওপেন সিক্রেট হয়ে যাবে, তখন সিক্রেট থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী কি ক্ষুব্ধ হয়ে একথা বলেছেন- প্রশ্নে সেতুমন্ত্রী বলেন, একথা বলেছেন, না বলেছেন- কোনোটাই আমি বলবো না। যতক্ষণ না সিদ্ধান্তটা কার্যকর হচ্ছে, যতক্ষণ পর্যন্ত এটা সিদ্ধান্ত আকারে না আসছে, ততক্ষণ এর সত্যতা স্বীকার করব না।

ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির কর্মকাণ্ড নিয়ে আপনি সন্তষ্ট কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেগুলো সন্তোষ প্রকাশ করার মতো, সেগুলোতে সন্তোষ প্রকাশ করি। আর যেগুলো লোকে পছন্দ করে না, সেগুলো আমিও পছন্দ করবো না। এটাই স্বাভাবিক। সে ব্যাপারে আমি তাদের সতর্ক হতে বলি, সাবধান হতে বলি। তাদের সুনামের ধারায় ফিরে আসতে বলি, ভালো খবরের শিরোনাম হতে বলি- এটা আমি অহরহ বলে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন !
  • 941
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply