নৌপথ খনন কাজে প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

0

সময় এখন ডেস্ক:

নৌপথ খনন কাজের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই আন্তরিক বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, খনন কাজে তদারকি আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে আরও গতিশীলতা আনতে হবে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উন্নয়ন, আর্থিক ও প্রশাসনিক সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় জানানো হয়, বিআইডব্লিউটিএ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা আয় করেছে।

ঢাকার চারপাশে নদীর সীমানা পিলার স্থাপন, ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ তরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জানানো হয় যে, কামরাঙ্গীরচর ও রামচন্দ্রপুরে সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।

নদী তীরে অ’বৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বর্জ্য উত্তোলনের জন্য ৬টি নতুন এক্সক্যাভেটর সংগ্রহ করা হয়েছে। নদীকে দূষণমুক্ত করতে ‘রিভার ক্লিনার ভেসেল’ সংগ্রহ করা হবে। নৌপথ খননে আরও ড্রেজিং সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।

এছাড়া জামালপুরের বাহাদুরাবাদঘাট ও গাইবান্ধার বালাশীঘাটের মধ্যে দ্রুত ফেরি সার্ভিস চালু করা, শূন্যপদে জনবল নিয়োগ, চিলমারী নদীবন্দরসহ অন্যান্য নদীবন্দর ও ঘাটগুলোর উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ভোলা নাথ দে এবং বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব-উল-ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রলীগের কমিটির বিষয়টা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী দেখছেন: কাদের

ছাত্রলীগের কমিটিতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন, সংশোধনের প্রশ্ন এলে সেটা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নিজেই করবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত আকারে কোনো কিছু না এলে আমি কিছু বলতে পারি না।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী দেখছেন। ছাত্রলীগে কোনো সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন, সংশোধনের প্রশ্ন এলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই করবেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আগাম সম্মেলনের কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি। এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। পুরোপুরিভাবে নেত্রী নিজেই দেখেছেন। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, দলের চারজনকে ছাত্রলীগের বিষয়টি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, আমি সব সময় ভালো কাজের প্রশংসা করি। দলের ভেতরে কোনো আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলে বা খারাপ কাজ হলে কাউকে তিরস্কার করতে হয় আমি তার পক্ষে, ভালো কাজের পুরস্কারও দেওয়া উচিত এবং খারাপ কাজের তিরস্কার। ছাত্রলীগের বিষয়টি নেত্রী দেখছেন।

শেয়ার করুন !
  • 574
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply