বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে ল্যান্ডমাইনে নিহত রোহিঙ্গা

0

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডে মাইন বি’স্ফোরণে আব্দুল মজিদ (৩২) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছে।

সোমবার সকালে ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে তার মর’দেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল মজিদ কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পের ডি-১-ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।

স্থানীয়রা সূত্র জানায়, ওই রোহিঙ্গা যুবক সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। নো-ম্যানস ল্যান্ডে পৌঁছলে মাটিতে পুঁতে রাখা মাইন বি’স্ফোরণে সে নিহত হয়।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি সীমান্তে সোমবার সকালে মাইন বি’স্ফোরণের শব্দ শুনতে পায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ও বিজিবিকে খবর দিলে তল্লাশি শুরু করা হয়। দুপুরে এক রোহিঙ্গা যুবকের ক্ষতবি’ক্ষত মর’দেহ পায় পুলিশ। ওই যুবক মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছিল।

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইমন চৌধুরী বলেন, সীমান্তে মাইন বি’স্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবকের মৃ’ত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে রোহিঙ্গা যুবকের ক্ষতবি’ক্ষত মর’দেহ উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের থুয়াইংগা ঝিরিতে মাইন বি’স্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হন। ওই যুবকও বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছিল।

২ সন্তান রেখে প্রেমিকের সঙ্গে পালালো প্রবাসীর স্ত্রী

২ শিশু সন্তান রেখে সাতক্ষীরা সদরের বাউকোলা এলাকায় পাতানো ভাইয়ের সঙ্গে পালিয়েছে এক প্রবাসীর স্ত্রী। যাওয়ার সময় নিয়ে গেছে স্বামীর ২ লাখ টাকা ও দেড় লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালঙ্কার।

এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ করেছেন প্রবাসীর বড় ভাই ফারুক হোসেন। সাতক্ষীরা সদরের বাউকোলা গ্রামের নুরুল আমীনের ছেলে আব্দুল আলীম বর্তমানে মালয়েশিয়ায় রয়েছেন।

প্রবাসীর বড় ভাই ফারুক হোসেন বলেন, ছোট ভাই আব্দুল আলীম ৪ বছর আগে মালয়েশিয়ায় যায়। এরপর থেকে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বেপরোয়া চলাফেরা শুরু করে। সংসারে অশান্তি শুরু হয়। ৬ মাস আগে গ্রামের সোহেল উদ্দীন সরদারের ছেলে নমিছুর সরদারকে ভাই বানিয়ে তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতে থাকে। নমিছুরও মাঝে মধ্যে আমাদের বাড়িতে আসতে থাকে। এরই মধ্যে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি আমরা বুঝতে পারিনি।

ফারুক হোসেন আরও বলেন, ছোট ভাইয়ের ১ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তান রয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২ শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়ে যায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রী। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারি নমিছুরের সঙ্গে পালিয়ে গেছে সে। পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার ভাইয়ের ২ লাখ টাকা ও দেড় লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুদ্দীন পলাশ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। প্রবাসীর পরিবারকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।

সাতক্ষীরা থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুভাস বলেন, পাতানো ভাইয়ের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

শেয়ার করুন !
  • 184
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!