গাজরের আংটি নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব!

0

বিশ্ব বিচিত্রা ডেস্ক:

মনের মানুষকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে অনেকেই অনেক রকম পরিকল্পনা করেন। কেউ কেউ অনেক টাকা খরচও করেন ওই বিশেষ মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য। সবার উদ্দেশ্য মূলত একটাই- প্রিয় মানুষটিকে সারপ্রাইজ দেয়া। এমন কিছু করা, যেটা অন্য কেউ করেনি, ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে যেন।

তবে এবার বিয়ের প্রস্তাব দিতে কেনা আংটিতে গাজর চাষ করে আলোচনায় এসেছেন এক ব্যক্তি।

সম্প্রতি এমন কাণ্ড করে দেখিয়েছেন কানাডার জন নেভিল নামে এক ব্যক্তি। প্রায় ৬ বছর ধরে ড্যানিয়েল নামে এক নারীর সঙ্গে সংসার করে আসছিলেন তিনি। তাদের ২টি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু সামাজিকভাবে ড্যানিয়েলকে বিয়ে করা হয়নি নেভিলের। দু’জন দু’জনাকে বুঝতে এবং ভালোবাসাকে আরও গভীর করে তুলতে, পারস্পরিক বিশ্বাসকে আরও মজবুত করতে সময় নিচ্ছিলেন।

বছর চারেক আগে ড্যানিয়েল যখন প্রথম সন্তান সম্ভবা হন, তখনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি হীরার আংটি কেনেন নেভিল। তিনি চেয়েছিলেন, অ’ভিনব কোনো উপায়ে ড্যানিয়েলকে এ আংটি উপহার দেবেন। নেভিল কৃষিকাজ করে জীবন নির্বাহ করতেন। তাই বিয়ের প্রস্তাবে এই বিষয়টিকে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন তিনি।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রথমে মাটি দিয়ে একটি ৫ গ্যালনের প্লাস্টিকের বালতি ভরাট করে ফেলেন নেভিল। বালতির কেন্দ্রে হীরার আংটিটি রেখে তার ওপর মাটি দেন। এরপর আংটির মাঝখানে মাটিতে সরু গর্ত তৈরি করার জন্য একটি পেন্সিল ব্যবহার করেন। সেখানে গাজরের কয়েকটি বীজ বপন করেন। আংটির ওই ফাঁকটুকু দিয়েই গাজর বাড়বে বলে বিশ্বাস ছিল নেভিলের। ৯০ দিন অপেক্ষার পর গাজর উঁকি মারে আংটির ভেতর দিয়ে।

নেভিল বলেন, আমি চেয়েছিলাম ঠিক প্রেম নয়, প্রেমের ফসল ফলাব। তাই হীরার আংটিতে গাজর ফলিয়েছি। আর তার পর গাজরের সেই আংটিটি নিয়ে হাঁটুতে ভর দিয়ে বসে পড়েন নেভিল।

ড্যানিয়েলকে উদ্দেশ করে বলেন, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? নেভিলকে হ্যাঁ বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন ড্যানিয়েল।

শেয়ার করুন !
  • 15
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply